জীবনধর্মী লেখালেখি

  • মানুষকে কোত্থেকে এসেছে, কোথায় যাবে। মানুষের আচার আচরণ নিয়ে আমি বরাবরই একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে থাকি। আর আমার সেই বিশ্লেষণধর্মী কিছু লেখালেখি আমার এই অংশের লেখনীর মাধ্যমে উঠে এসেছে। খুব খারাপ লাগবে না বলে, আশা করছি। আমার সাথেই থাকুন প্লিজ। এখানে আলোচিত বিষয়ের শিরোনাম সমূহ:
  • (১) মানুষের উপরে ক্রমাগত বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে(০১.০৪.২০১৬):
  • (২) আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলিয়ে ফেলুন,বইবে সর্বত্র শান্তির ঐক্যতান(১৯.০৪.২০১৬:
  • (৩) বলতে পারেন মানুষ কেন এতটা বহুরূপী?(০৫.০৬.২০১৭):
  • (৪) বন্ধু প্রকৃত শুভাকাঙ্খীদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে!!(১৬.০৬.২০১৬)
  • (৫) ভাল ব্যবহারের বিড়ম্বনা(২৬.০৬.২০১৬):
  • (৬) স্তব স্তুতি আর স্তাবকতার চাপে পড়ে তবে কী নিষ্কুলষ প্রেম প্রীতি প্রশংসা হারিয়ে যেতে বসেছে?(০৯.১১.২০১৬):
  • (৭) অর্থ যশ খ্যাতি সম্মান ক্ষমতা সুজনকে কুজনে পরিণত করে চলেছে(১০.১১.২০১৬):
  • (৮) যদি প্রাণখুলে বলতে পারতাম বা মনের মাধুরি মিশিয়ে লিখতে পারতাম বা সব অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতাম তাহলে…(২২.১২.২০১৭):
  • (৯) “মুখ দেখে ভুল করনা, মুখটা তো নয় মনের আয়না”(24.12.2016):
  • (১০) জ্ঞান বুদ্ধির স্থিরতা আসতেই মানব জীবনে বেজে ওঠে বিদায়ের করুন সুর! অনেক কিছু অপূর্ণ রেখে অল্প সময়েই মানব সন্তানকে চলে যেতে হয়! (১৩ জানুয়ারি,২০১৭ খ্রি.);
  • (১১) ভয় , ভক্তি স্বার্থে মানুষ মানুষকে সমীহ করে। বিষয়টি মনে রাখুন।(১৭.০৩.২০১৭);
  • (১২) আমার লেখা সম্পর্কে ফেসবুক বন্ধুদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আমার বিবেকের জবানবন্দি।(২০.০৩.২০১৭);
  • (১৩)পাঠকের অপরিমেয় ভালবাসায় মুগ্ধ আমি, অভিভূত আমি। সবিশেষ কৃতজ্ঞতা, বিনম্র শ্রদ্ধা ভালবাসা সবার প্রতি!
  • (১৪) অনলাইন জীবন নিয়ে জাফর ইকবাল স্যারের সাদাসিধে কথার সোজাসাপ্টা মূল্যায়ন।(২৭.০৩.২০১৭):
  • (১৫) শহীদ সেলিম কনে ডরোথির আর্তনাদ এবং জাতির বিবেকের কাছে বিনম্র জিজ্ঞাসা ? (২২.০৪.২০১৭);
  • (১৬) লেখাপড়ার ডিজিটাল সংস্করণ ও লাইক নির্ভর কল্পিত দুনিয়ার অশনি সংকেত! (২৬.০৪.২০১৭);
  • (১৭) বাবা দিবসের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য সকল বাবা ও সন্তানের কাছে সমভাবে প্রযোজ্য নয়! (১৮.০৬.২০১৭)
  • (১৮) লোক-লৌকিকতা, সামাজিকতা ও উদারতা পারিপার্শ্বিক অবস্থা দ্বারা ভীষণভাবে প্রভাবিত!(২৩.০৬.২০১৭);
  • (১৯) ষড়ঋতুর ঐশ্বর্য্যমণ্ডিত দেশে ষড়রিপুর প্রভাব আমাদেরকে নাকাল করে তুলছে!! (০১ জুলাই, ২০১৭)
  • (২০) এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, ভেঙে যাচ্ছে সংসার! প্রতিকার আবশ্যক! (২০.০৭.২০১৭);
  • (২১) মন মানসিকতা আর দৃষ্টিভঙ্গির অদৃশ্য মিথস্ক্রিয়া বড়ই জটিল!! (২২.০৭.২০১৭);
  • (২২) বিত্ত বৈভব ক্ষমতার মাদকতায় সুখ নেই; সুখ আপনার নিজের মাঝে!(২৯.০৭.২০১৭);
  • (২৩)কল্পনাবাস্তবতারসংঘর্ষকে সমন্বয় করেই আমাদের ভাল থাকতে হয়!(০১.০৮.২০১৭)
  • (২৪) স্বার্থ, অর্থ ঈর্ষা সংশ্লিষ্ট বন্ধুত্ব,শত্রুর সাথে ঘরবসতিরই নামান্তর!(০৬.০৮.২০১৭);
  • (২৫) স্মার্ট হওয়া ভাল,তবে তথাকথিতঅতি স্মার্ট ভাল নয়!(২৫.০৮.২০১৭);
  • (২৬) প্রত্যাশাকে শূণ্যের কোটায় নামিয়ে আনুন,নইলে অপ্রাপ্তির বেদনায় ভারি কষ্ট পাবেন! (২৫.০৮.২০১৭);
  • (২৭) বলৎকার শেষে রূপার নির্মম হত্যাকাণ্ড, আশুলিয়ার নারীর ৩৫ টুকরা লাশ ও অব্যক্ত যৌন নিগ্রহের কবলে নারীরা! (০৮.০৯.২০১৭)
  • (২৮) নারী নির্যাতন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান!(০৯.০৯.১৭)
  • (২৯)গগনচুম্বী সাফল্যের পরেও অব্যক্ত ও সূক্ষ যৌন নিগ্রহে অসম্মানিত হচ্ছে আমাদের নারীরা!! (১০.০৯.১৭);
  • (৩০) প্রেম প্রীতি ভক্তি শ্রদ্ধা ভালবাসা বন্ধুত্ব এখন মেকি হয়ে যাচ্ছে! (১৫.০৯.২০১৭);
  • (৩১) কৌতূহলী পাঠকের বিস্ময়কর ও নেতিবাচক প্রশ্নে আমার সাদামাটা জবানবন্দী! (০৩.১১.২০১৭)
  • (৩২) অব্যক্ত কষ্টের যাতনা সহ্য করা বড়ই কষ্টকর! (০৪.১২.২০১৭)
  • (৩৩) যা করতে পারতাম তা পারলাম না; যা দেখাতে পারতাম তা দেখানো হলো না। এ ব্যর্থতার দায়ও আমার নয়! (০৬.১১.১৭);
  • (৩৪) ফেসবুকে কমেন্টস্ করা ও লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্টতা লক্ষ্যণীয়!
  • =================================================
  • উপরে উল্লেখিত বিষয় সমূহের বিবরণ:
  • (১)মানুষের উপরে ক্রমাগত বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে(০১.০৪.২০১৬): ……….মানবতা আজ বিপর্যস্ত, নৈতিকতা ক্ষয়প্রাপ্ত, বিবেক লুপ্তপ্রায়, সহমর্মিতা নির্বাসিত, সহযোগিতা হিমঘরে, কৃতজ্ঞতা স্থলাভিষিক্ত কৃতঘ্নতা দিয়ে,প্রেম প্রীতি স্নেহ মমতা এখন পিষ্ট হচ্ছে ডিজিটাল সংস্করণের যাতাকলে পড়ে। ঠাণ্ডা মাথায় মানুষ মানুষকে খুন করছে, নারী শিশু ধর্ষিতা হচ্ছে; পুরুষ নির্যাতিত হচ্ছে নারী কর্তৃক; চলছে দুর্নীতির মহোৎসব, কে কাকে অন্যায়ভাবে পরাভূত করে নিজের আখের গোছাবে সেটার প্রতিযোগিতা চলছে। ভক্তি, শ্রদ্ধা, ভালবাসা শব্দগুলো নিরন্তর ম্রিয়মান হচ্ছে; পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ বাষ্পীভূত হয়ে কর্পুরের মত উবে যাচ্ছে এমনি আর কত কী?………….বিস্তারিত জানতে নিচের ফাইল দেখুন……….
  • মানুষের উপরে ক্রমাগত বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে ০১ এপ্রিল ২০১৬
  • ================================================
  • (২) (আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলিয়ে ফেলুন,বইবে সর্বত্র শান্তির ঐক্যতান(১৯.০৪.২০১৬: ……….মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব, আবার স্বীয় অপকর্মের কারণে এই মানুষই কখনো কখনো বিবেচিত হয় নিকৃষ্ট জীব হিসেবে। সেটা মানুষ হিসেবে আমাদের জন্যে লজ্জার।মানুষের দৃষ্টি ভঙ্গিগত বৈষম্যের কারণেই আজকে পরিবার, সমাজ, দেশ, জাতি ও মহাবিশ্বে চলছে হানাহানি ,কানাকানি, আর প্রাণহানি। অথচ সেরা জীব হিসেবে যদি ক্ষেত্র বিশেষে আমাদের সাদা মনের দরজাটা একটু খানি খুলে দৃষ্টিভঙ্গিকে উদারীকরণ করতে পারি তাহলে তাহলে শান্তির সুবাতাস বাইতে পারে আমজনতার এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে।…..বিস্তারিত জানতে নিচের ফাইল দেখুন……….
  • দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলান বইবে শান্তির ঐক্যতান ১৯ এপ্রিল ২০১৬
  • =================================================
  • (৩) বলতে পারেন মানুষ কেন এতটা বহুরূপী?(০৫.০৬.২০১৭): মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব সন্দেহ নেই; কিন্তু মানুষ সৃষ্টির মধ্যে সবচে নিকৃষ্ট জীব এটাও সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়। এরা ক্ষণে ক্ষণে রূপ পাল্টায়, ভং ধরে, মোনাফেকী করে; মুখ চেটে চুটে কাঁচা পাকা সব ধরনের মিথ্যা বলে ,অবলীলায়। ফলে মানুষ সম্পর্কে prediction করা দুরহ। মানুষ ক্ষমতা পাওয়ার সাথে সাথে সবকিছু ভুলে যায়। অতি আপনার কাছের মানুষটির সাথে খুব ফরমাল ব্যবহার করে; অথচ এক সময় সেই মানুষ ছিল তার সবচে কাছের মানুষ।…..বিস্তারিত জানতে নিচের ফাইল দেখেুন……….
  • মানুষ কেন বহুরূপী ০৫ জুন ২০১৬
  • =================================================
  • (৪) বন্ধু প্রকৃত শুভাকাঙ্খীদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে!!(১৬.০৬.২০১৬)….. অধিকতর বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতার কবলে পড়ে বোধকরি আমাদের হৃদয়ের সুকুমার বৃত্তির অনেক কিছু আজ হারাতে বসেছি। সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃত বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীদের সংখ্যাও।…হাতে গোনা যে ক’জন মানুষকে এখনও প্রকৃত বন্ধু বা শুভাকাঙ্খী মনে করি তাদের………….. থেকেও যেন আশানুরূপ ফলভালে ব্যর্থ হচ্ছি……….,।……আমরা সবাই অতিমাত্রায় যান্ত্রিক জীবন যাপন করছি, ফলে বন্ধুত্বের বাতাবরণে গড়ে উঠা সম্পর্কের দিকে ওভাবে দৃষ্টি দেয়ার সময় কোথায়?.. ……এ ব্যাপারে আমার মনোভঙ্গি জানতে নিচের ফাইলটি দেখুন…..
  • প্রকৃত বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীদের সংখ্যা কমে যায় ১৬ জুন ২০১৬
  • =================================================
  • (৫) ভাল ব্যবহারের বিড়ম্বনা(২৬.০৬.২০১৬): …………………….“ভাল” দুই অক্ষরের একটা ছোট্ট কিন্তু অতীব গুরুত্বপূর্ণ শব্দ। “ভাল” শব্দটি সবার কাছে খুবই প্রিয় একটা শব্দ কোন সন্দেহ নেই। ……….ভাল শব্দটির বেশ কিছু প্রতিশব্দও রয়েছে, যেমন: প্রকৃষ্ট, শ্রেষ্ঠ, সেরা, অগ্রণী, অতুল, মনোরম, মোহনীয়, চমৎকার ইত্যাদি। ইংরেজীতে ভাল কে বলা হয় good ; এটারও বেশ কিছু সুন্দর প্রতিশব্দ আছে যেমন nice, sound well, fair, excellent, super ইত্যাদি। ………………..“ভাল” খুব আরামদায়ক শব্দ; এই শব্দটির কার্যকারিতা কেউ পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ………..এতকিছু ভাল কিছুর পরেও বলতে হয় বেশী ভাল, ভাল নয়। ভাল ব্যবহারকারী অনেকের প্রিয়পাত্র হলেও প্রতি পদে পদে তাকে বিড়ম্বনা পোহাতে হয় । ভাল ব্যবহারকারীকে সবাই যেন পেয়ে বসে, তার কাছ থেকে নিকটজনের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।…………..এতকিছুর পরে ভাল ব্যবহাকারী কোন একজন মানুষ আরেকজন বিশেষ মানুষের সাথে সহসা ভাল ব্যবহার করার পরেও হয়ত একটা বিশেষ সময়ে বা পরিস্থিতির কারণে তার সাথে একটু কম ভাল ব্যবহার করলেন বা তার প্রত্যাশা পুরোপুরি পালন করতে পারলেন না; আর যা্য় কোথা? ভাল ব্যবহারকারীর গোটা জীবনের প্রাপ্তি এক নিমিষেই শেষ। ….আমি নিশ্চিত এ ধরনের বিড়ম্বনায় পড়েননি এমন লোকে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর; আপনারা এটার সমাধান জানেন কী???..….এ ব্যাপারে আমার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে নিচের ফাইলটি দেখুন…..
  • ভাল ব্যবহারের বিড়ম্বনা ২৬ জুন ২০১৬
  • =================================================
  • (৬) স্তব স্তুতি আর স্তাবকতার চাপে পড়ে তবে কী নিষ্কুলষ প্রেম প্রীতি প্রশংসা হারিয়ে যেতে বসেছে?(০৯.১১.২০১৬): “যায় দিন ভাল আসে দিন খারাপ” এমন একটা বহুল প্রচলিত কথা ক’দিন ধরে মনে পড়ে মনের মাঝে বেশ খচ খচ শুরু করছে। বৈজ্ঞানিক অধিকতর উৎকর্ষতার যুগে দেশ জাতি সমাজ আজ অনেকদুর এগিয়েছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মানুষের জীবনযাত্রা অনেক গতিশীল হয়েছে। প্রকারন্তরে তির্যকভাবে মানুষের মানবিক মূল্যবোধও যেন কমতে শুরু করছে। আবেগ অনুভূতি উচ্ছ্বাস প্রেম প্রীতি স্নেহ মমতার স্বরূপেও লেগেছে ‘উন্নয়নের ছোঁয়া’। অথচ, একদা বন্ধু বৎসল বাঙালী নর নারীর মধ্যে উপর্যুক্ত বিশেষণগুলো অন্যরকমের মোহনীয় দ্যোতনায় প্রকাশিত হতো।স্বাধীনাত্তোর বাংলাদেশের উষালগ্নেও এটার প্রভাব আমার নিজের চোখেই লক্ষ্য করেছি।ধীরে ধীরে এসব আবেগময় অনুভূতির প্রকাশগুলোও যেন ডিজিটালাইজড্ হতে শুরু করেছে। হাই হ্যালো, ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ, মুঠোফোনের আলাপচারিতা আর তথ্য মহাসড়কের ডামাডোলে পড়েই কী মানুষ তবে এতটা যান্ত্রিক হতে শুরু করেছে? এর সঠিক কোন উত্তর আমার জানা নেই।এহেন মানবিক অবক্ষয়ের সাথে সাথে অতি কাছের মানুষের ভাল কর্ম কথা আচরণ বিচরণের মূল্যায়ন করে তাদের সাথে দুটো ভাল কথা বলার সময়ও যেন আমাদের কমতে বসেছে। ভুলে যাচ্ছি মানুষের প্রশংসা করতে । একটুখানি মিষ্টি কথা, মোলায়েম আচরণ, সুকর্মের স্বীকৃতি, মেধা ও মননশীলতার মূল্যায়ন ব্যক্তি ও সমাজের জন্য কতই না হিতকর; অথচ মানবিকতার এই প্যারামিটারগুলো আমরা বেমালুম ভুলতে বসেছি!ছেলে শুনতে চায় না বাবার কথা, বাবার সময় নেই ছেলেকে সময় দেয়ার, মা ব্যস্ত অফিস পার্টি নিয়ে, মেয়ে মাতোয়ারা হয়ে আছে ভ্রমের জগতে । বস্ বোঝে না অনুজ সহকর্মীর কথা, মালিকের সময় সেই শ্রমিকের দুঃখ বোঝার ইত্যাকার কথকতা!প্রকারন্তরে স্তব স্তুতি আর স্তা্বকতায় বুঁদ হয়ে আছে স্বার্থান্বেষী একটা গোষ্ঠীর সদস্যরা। স্তুতি আর স্তাবকতার নামে সমাজের বিবিধ অঁচলে আর জীবন খাতার পাতায় পাতায় তৈলমর্দনের এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। স্বীয় স্বার্থ চরিতার্থের জন্যে এসব মচ্ছবের মহড়া চলছে।আবার আমার যারা এই স্তুতির গ্রহীতা তারাও এটা গ্রহণ করে কৃতার্থ হচ্ছি। এটার নিশ্চিত নেতিবাচক পরিণাম জেনেও সেদিকে তাকানোর সময় কোথায় আমাদের। আবার যারা এই স্তুতি আর স্তাবকতার প্রয়োগকারী তারা কিন্তু সুসময়ে পাশে থেকে ধন্যি ধন্যি রব তুলতে থাকলে সুযোগ বুঝে অসময়ে ঠিক কেটে পড়ছে।ভণ্ড এই কপটচারীদের কবলে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত যোগ্যতা দক্ষতা মেধা ও মননশীলতা অবমূল্যায়িত হচ্ছে। অসময়ে প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণা আর কষ্টে পড়ে স্তুতি গ্রহণকারীদের কেউ কেউ অকালে ইহলোক থেকে পরলোকে পাড়ি জমাচ্ছেন।এক্ষণে এসব জীবনধর্মী সাতকাহন লিখতে যেয়ে কেবলই মনে হচ্ছে,তবে কী গুরুজী সেই সিকি শতাব্দী আগেই সেটা আঁচ করতে পেরেছিলেন? না হলে তিনিইবা কেন সভ্যতার প্রতি ইঙ্গিত করে আজ থেকে ১২৩ বছর আগে লিখেছিলেন,“ দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্থর।হে নব সভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী, দাও সেই তপোবন পূণ্যচ্ছায়ারাশি,গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান……….”।নাহ্, এ জীবন তো আমাদের কাঙ্খিত নয় ! এ জীবন আমরা চায় না; আমরা চাই সেই জীবন যেখানে প্রতিফলন হবে সেই মোহন বাঁশির সুর:“ এমন সুন্দর জীবন করিতে হইবে গঠন,মরণে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবণ”!
  • =================================================
  • (৭) অর্থ যশ খ্যাতি সম্মান ক্ষমতা সুজনকে কুজনে পরিণত করে চলেছে(১০.১১.২০১৬): সুজন মানে ভাল মানুষ আর সেটার বিপরিত হলো কুজন। শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, স্বল্পশিক্ষিত, স্বশিক্ষিত বা অশিক্ষিত যেই হোক না কেন যশ খ্যাতি সম্মান অর্থযোগ ও ক্ষমতা প্রাপ্তির সাথে সাথে একজন ভাল মানুষ ক্রমাগত বদলে যেতে থাকে। আচার আচরণ বিচরণ কথা বার্তা মানবিক মূল্যবোধ সবকিছুর মধ্য একটা ক্ষয়িষ্ণু প্রবৃত্তি লক্ষ্য করা যায়। দেশ জাতি সমাজ রাষ্ট্র মহারাষ্ট্রে এ বিষয়টি লক্ষ্যণীয়ভাবে চোখে পড়ে। কাল থেকে কালান্তরে এটা বহমান রয়েছে। এটার ব্যতিক্রম যে নেই সেটা বলা যাবে না, তবে সে সংখ্যা খুব বেশী নয়। তাছাড়া ব্যতিক্রমকে কখনো আদর্শ উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন হবে না।খুব বেশী দুরে যাবার দরকার নেই। আমার ২৭ বছরের সরকারী চাকুরি জীবনে বিভিন্ন দপ্তর পরিদপ্তর অধিদপ্তরে কর্মরত অনেক অগ্রজ অনুজ সহকর্মীদেরকে সুজন থেকে কুজনে রূপান্তরিত হতে দেখে বিস্মিত হয়েছি কিন্তু হতাশ হয়নি।অবস্থা এবং অবস্থানের পরিবর্তনে যখনই এদের জীবনে যশ খ্যাতি সম্মান আর আর্থিক সংশ্লেষ ঘটেছে তখনই তাঁদের হুম্বি তাম্বিতে তার এক সময়ের অনেক কাছের মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত হতে দেখেছি।আবার যখন এরা ক্ষমতার মসনদ থেকে অবসরজনিত কারণে বা অন্য কোন কারণে তিরোহিত হয়েছেন তখন কিন্তু তারা পুনরায় স্বরূপে ফিরে গেছেন কিন্তু তখন তারা হয়েছেন বন্ধু শূণ্য। করুণ অবস্থায়ও চলতে দেখেছি এক সময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এসব মানুষগুলোকে। চাকুরির বাইরেও এ ধরনের মানুষ সংখ্যায় কম হলেও কিন্তু তারা আমাদের পাশেই রয়েছে। এসব মানুষদের জন্যে আমাদের দুঃখ করা ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট আছে কী?হ্যাঁ আমি নিজেও কিন্তু এটা থেকে মুক্ত নই। তেমন কোন প্রাপ্তি যোগ আমার জীবনে ঘটেনি বলেই হয়ত আমি এমনটি জ্ঞানগর্ভ বাণী দেয়ার প্রয়াস পাচ্ছি। আমার জীবনে এমনটি ঘটলে হয়ত আমার মধ্যেও এ ধরনের পরিবর্তন সাধিত হতে পারে !!শুনেছি যশ খ্যাতি সম্মান অর্থযোগ নাকি ভাগ্যে না থাকলে হয়না। তারপরও এসব মানুষগুলো যখন অর্থ আর ক্ষমতার মোহে ধরাকে সরা জ্ঞান করে তখন অবচেতন মনেই বোধহয় আল্লাহ পাক এদের উপরে লানত্ বর্ষণ করতে থাকেন, ফলে এহেন সুসময়ের অবসান কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তাঁদের জীবদ্দশাতে ঘটে থাকে।যারা অল্প শিক্ষিত অশিক্ষিত বা স্বশিক্ষিত তাদের জীবনে এমনটি ঘটলে আমার কিছু বলার নেই কিন্তু উচ্চশিক্ষিত আর পদস্থ মানুষদের মধ্যে এমন বৈপরিত্য দেখলে বড্ড কষ্ট লাগে!!যুগে যুগে বিজ্ঞজনেরা অনেক আপ্তবাক্যের জন্মদিয়ে গেছেন। মানুষের মানবিক মূল্যবোধকে জানা বোঝা এবং মানুষের যৌক্তিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সেসব আপ্তবাক্যের অনেক কিছুই বিশ্বায়নের এইক্ষণে স্ব মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে যুগ পরম্পরায় সত্য বলে প্রতিভাত হচ্ছে। এতদ্সত্বেও কাল সন্ধিক্ষণের পথ পরিক্রমায় দাঁড়িয়ে কিছু আপ্তবাক্য যেন এখন অসার বলে প্রমাণিত হচ্ছে।”শিক্ষা মানুষকে বিনয়ী করে, বৃক্ষ যেমন নুয়ে পড়ে ফলভারে”।শিক্ষা যদি মানুষকে বিনয়ী করে, শিক্ষা যদি মানুষের হৃদয়ের সুকুমার বৃত্তিগুলোকে প্রস্ফুটিত করে তাহলে কী উচ্চ শিক্ষিত মানুষের মধ্যে এমন আচরণগত পরিবর্তন ঘটতে পারে?বৃক্ষের ক্ষেত্রে কথাটি ফলপ্রসূ হলেও সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের ক্ষেত্রে এটা যেন সত্য হিসেবে আর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না। সুতরাং এসব আপ্তবাক্যের জনকেরা এখন বেঁচে থাকলে হয় তাঁরা তাদের আপ্তবাক্য প্রত্যাহার করে নিতেন নতুবা লজ্জাবোধ করতেন।পরিশেষে আমি মনে করি এসব মানুষের মধ্যে যদি মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত থাকতো অথবা তাদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা সমুন্নত থাকতো অথবা মৃত্যুভয় থাকতো তাহলে নিশ্চয় তাঁরা ক্ষমতার মদমত্ততায় এমনটি করতে পারতেন না। কারণ অর্থ যশ খ্যাতি সম্মান ও ক্ষমতা পাওয়ার পরেও কিছু মানুষ কিন্তু কোনকালেই পরিবর্তিত হননি এবং হবেনও না। এমন উদাহরণ সংখ্যায় কম হলেও আমাদের পাশেই রয়েছে।তাই আসুন আমরা এসব তথাকথিত উচ্চশিক্ষিত ক্ষমতালিপ্সু মানুষের জন্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে কায়মনে প্রার্থনা জানাই। মহান আল্লাহপাক তাঁর নিজ করুণায় আমাদের সবার মঙ্গল করুণ।
  • =================================================
  • (৮) যদি প্রাণখুলে বলতে পারতাম বা মনের মাধুরি মিশিয়ে লিখতে পারতাম বা সব অনুভূতি প্রকাশ করতে পারতাম তাহলে…(২২.১২.২০১৭): মানব জীবনে বস্তুত: ব্যক্তি স্বাধীনতা বলতে কিচ্ছু নেই। পরিবার সমাজ রাষ্ট্রে সর্বত্র আমরা ভীষণভাবে পরাধীন। আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নে রাষ্ট্র অপেক্ষা সমাজ ও পরিবারে আমরা সবচে বেশী পরাধীন, সেখানে সত্যি কথা বলার কোন অবকাশ নেই। সব সত্য, নিরেট সত্য হলেও সেটা প্রকাশের কোন সুযোগ নেই; রং মেখে , সঙ সেজে, ভং ধরে প্রতিনিয়ত আপোষ করে আমরা বসবাস করছি এই পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রে ।সত্যি সত্যিই যদি আমরা প্রাণখুলে সত্যি কথাগুলো বলতে পারতাম বা মনের একান্ত কষ্টের কথাগুলো মনের মাধুরি মিশিয়ে লিখতে পারতাম বা সব কষ্টের অনুভূতিগুলো অবলীলায় প্রকাশ করতে পারতাম এবং যাদের বিরুদ্ধে এই বলাবলি তারা যদি সেসব সত্য কথাগুলো হৃদয়ঙ্গম করে নিজেদের পরিবর্তন করতে চেষ্টা করতেন তাহলে পরিবার দেশ জাতি ও সমাজের চেহারা একেবারেই বদলে যেত।পরিশেষে প্রথম আলোর সেই আপ্তবাক্যের মত আমারও বলতে ইচ্ছে করছে “বদলে যাও, বদলে দিন”। আসলেই সেই প্রত্যাশিত দিনবদল কোনদিন আসবে কী?……এ ব্যাপারে আমার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে নিচের ফাইলটি দেখুন…..
  • যদি প্রাণখুলে বলতে পারতাম …….২২ ডিসেম্বর ২০১৬
  • =================================================
  • (৯) “মুখ দেখে ভুল করনা, মুখটা তো নয় মনের আয়না”(24.12.2016): ছোট বেলা থেকে একটা প্রবাদ বাক্য শুনে আসছি Face is the index of mind অর্থাৎ ‘মুখমণ্ডল হচ্ছে মানব মনের প্রতিচ্ছবি’। এই প্রবাদ বাক্যটির প্রণেতা কে সে তথ্য আমার জানা নেই; তবে ১৯৭৫ সালে রাজ্জাক শাবানা অভিনিত বাংলা চলচিত্র ‘সাধু শয়তানের’ একটা জনপ্রিয় গান “মুখ দেখে ভুল করনা মুখটা তো নয় মনের আয়না” তখনকার দিনের মানুষের মুখে মুখে ফিরতো ।……….. জীবনের এই পড়ন্ত বেলাতে এসে সেটাকে অনেক বেশী যথার্থ বলে মনে হচ্ছে এবং চিরায়ত Face is the index of mind অর্থাৎ ‘মুখমণ্ডল হচ্ছে মনের প্রতিচ্ছবি’ প্রবাদ প্রবচনটিকে অন্ত:সারশূণ্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। মুখের উপরে মনের ছবির প্রতিবিম্ব পড়লেও এই সমাজে অসংখ্য মানব সন্তান আছে যারা প্রচণ্ড রকমের মন:কষ্ট নিয়েও দিব্যি ৩২ দন্ত প্রদর্শন করে সর্বত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে এ ধরনের কষ্টলালনকারী মানুষের মুখচ্ছবি দেখে তাদের মনের প্রকৃত অবস্থা বোঝা সম্ভব নয়।একান্তই আপনার কিছু ব্যাথা বেদনা আর স্পর্শকাতর কষ্টানুভূতি আছে যা নিজের মনের মাঝে রেখেই ভবলীলা সাঙ্গ করতে হচ্ছে অনেক মানুষকে । সকালে মনের মধ্যে সুখানুভূতির সৃষ্টি হয় তো সন্ধ্যায় ১৮০ ডিগ্রী বিপ্রতিপ কোণে সেটা উল্টো যায়। প্রচণ্ড রকমের কষ্ট নিয়ে চলমান জীবনের সাথে হাস্যকর ও নিষ্ঠুর আপোষরফা করে চলতে হচ্ছে আমাদের অনেককে।……এ ব্যাপারে আমার দৃষ্টিভঙ্গি জানতে নিচের ফাইলটি দেখুন…..
  • মুখ দেখে ভুল করোনা। ২৪ ডিসে ২০১৬
  • ==============================================
  • (১০)জ্ঞান বুদ্ধির স্থিরতা আসতেই মানব জীবনে বেজে ওঠে বিদায়ের করুন সুর! অনেক কিছু অপূর্ণ রেখে অল্প সময়েই মানব সন্তানকে চলে যেতে হয়! (১৩ জানুয়ারি,২০১৭ খ্রি.): গতকাল আমার একজন ফেসবুক বন্ধুর শিরোনামীন একটা কাব্যিক স্ট্যাটাস দেখে আমার উপরের বাক্যগুলো অবচেতনভাবে মনে পড়লো, সেইসাথে ক্ষণস্থায়ী জীবন- জগৎ, ভূত- ভবিষ্যৎ নিয়ে এক মুহুর্তে অনেক কিছু ভেবে ফেললাম। আমার সেই ফেসবুক বন্ধুটি তাঁর স্বীয় বন্দনা আর চমৎকার ভাষা শৈলীতে সুন্দরের সবটুকু মাধুরি মিশিয়ে যা লিখেছেন সেটার চুম্বকাংশ কতকটা এমন:পথিক, ঘন্টাধ্বনি শুনতে কি পাও—!
    দিগন্তরেখায় পা ফেলে ছুটে চলেছো,
    জানো কি ওপারে মৃত্যুগহ্বর; নাকি
    মায়ার খেলা মরিচিকা—?…………….
    সত্যি বলতে আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগেও জীবন ও জগৎ নিয়ে এমন করে ভাবিনি কিন্তু চাকুরি শেষ হওয়ার পঞ্চম বছর থেকে কাউন্ট ডাউন শুরু হতেই যেন মনে হচ্ছে সময় শেষ হতে চলেছে। এখন চাকুরিও আমাকে বলতে শুরু করেছে তোমার প্রয়োজন শেষ হয়েছে তুমি যাবার প্রস্তুতি নাও। আবার বয়সগত কারণে শারীরিক অঙ্গ প্রত্যঙ্গের গঠন জৌলুস এবং সৌন্দর্য আমাকে সংকেত পাঠিয়ে শুনান দিচ্ছে, “….এ জগত সংসার থেকে বিদেয় হওয়ার জন্যে রেডি হও”। তাইতো নিতুই মনে হয় কি ছোট মানুষের এই জীবন!! এই তো সেদিন চাকুরি শুরু করলাম,অথচ এখন সেটা শেষ হওয়ার ঘন্টাধ্বনি বাজতে শুরু করেছে।মানব সন্তান জন্মের পরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে, যৌবনের উন্মাদনা কমিয়ে ঘর সংসারে থিতু হয়ে দৃষ্টিভঙ্গিকে পাকাপোক্ত করে পুরোপুরি সংসারী হতে না হতেই বয়স চল্লিশ বছর হয়ে যায়। এ সময়টা মানুষের প্রকৃত মেধা মননশীলতা যোগ্যতা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে কাজ লাগানোর উপযুক্ত সময়; কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে ৪০ বছর বয়স থেকেই মানুষের শরীরে নানান রকমের সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ এক জটিল রসায়ন! যার জবাব আল্লাহপাক তথা নিয়তির হাতে! এ জগতে, বহু ক্ষেত্রে, বহু জ্ঞানী গুণী প্রাজ্ঞ মানুষ ছিলেন যাঁদের প্রয়াণে আমরা শোকের মাতম করার সাথে সাথে অবচেতন মনে উচ্চারণ করি,“ ….. জাতি আজ অনেক কিছু হারলো, …. মৃত্যতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো,…., এ সময়ে এ রকমের মানুষের বড় প্রয়োজন ছিল…. এমনি আর কত কী?
    আবার এর বাইরে যেসব বিদগ্ধ মানুষের অকাল প্রয়াণ ঘটে সে কাহিনী তো আরো বেদনাবিধুর।তবুও আসা যাওয়ার খেয়াতরীতে আমরা সবাই যাত্রী নিরবধি! এটাই নিয়তি, এটাই চরম বাস্তবতার পরম প্রতিচ্ছবি। তাই আমি আমার সকল পাঠককে সবিনয়ে জানাই, যে যে অবস্থানে থাকুন না কেন পরপারে যাবার জন্যে প্রস্ততি গ্রহণ করুণ । সেটা আস্তিক হলে আস্তিকের মত করে এবং নাস্তিক হলে তার মত করে। আর দৃশ্যমান জগতের প্রতি সেকেণ্ড সময়কে শ্রদ্ধা করে সেটা সদ্ব্যবহারের চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ভোরবেলার শুভ সকালটা কে একেকটা নতুন সকাল ভাবুন অথবা মনে করুন শুভ সকালটা রঙিন খামে আপনার প্রিয়জনের একখানা নতুন চিঠি। আল্লাহ না করুন আজকের সকালটাও তো আপনার জীবনে শেষ সকাল হতে পারে। তাই প্রতিটি দিনক্ষণের সদ্ব্যবহার করে ভাল মানুষ হতে চেষ্টা করুন, যাতে করে অন্তত: মনটা ভাল থাকে।মনে রাখবেন মৃত্যু পরবর্তী অদৃশ্যমান জগতের সবকিছুই অনিশ্চিত, তমসাচ্ছন্ন, অনন্ত জিন্দেগী, যার সম্পর্কে শুধু কিছু ধর্মীয় বিশ্বাসই মূলভিত্তি, অন্য কিছু নয়! অতএব, সাধু সাবধান!! সময় গেলে সাধন হবে না।
  • ==============================================
  • (১১) ভয় , ভক্তি স্বার্থে মানুষ মানুষকে সমীহ করে। বিষয়টি মনে রাখুন।(১৭.০৩.২০১৭);কার্যকারণে আর অবস্থাদৃষ্টে ঐসব ক্ষমতাশালী যেকোন টায়ারের মানুষদের ব্যাপারে আমাদের মনের মধ্যে মিশ্র অনুভূতির সৃষ্টি হয়; ভাল, মন্দ, মাঝারী বা ক্লীবিয় অনুভূতি। কাউকে মাথা নুইয়ে প্রণতি জানাতে ইচ্ছে করে,কাউকে দেখলে মনের মধ্যে প্রচণ্ড ঘৃণা জন্মালেও নিজ স্বার্থের কারণে তাদেরকে “প্রিয় তোমাকে অনেক ভালবাসি , শ্রদ্ধাবনত চিত্তে তোমাকে স্মরি…….” এমন ভাবাবেগ দেখাতে হয়।এটাকে কী আসলে ভক্তি বলা যাবে?না কক্ষণো না!তারপরেও আমরা যারা এটার ধারক তাঁরা খুশিতে বাকবাকুম করতে থাকি। তৈল প্রবাহের নহরে পড়ে অনুক্ষণ বেমালুম ভুলে যায় যে, এসব ভক্তি শ্রদ্ধার অন্তরালে রয়েছে স্তব, স্তুতি আর স্তাবকতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ।স্বাভাবিকভাবে স্বীয় স্বার্থের কারণে এবং সমূহ বিপদ এড়ানোর জন্যে বা আসন্ন/চলমান বিপদ থেকে পরিত্রাণের জন্যে কমবেশী সবাই ক্ষমতাশালী মানুষকে ভয় করে।…….বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১১ ভয় ভক্তি স্বার্তে মানুষ মানুষ সমীহ করে ১৭ মার্চ ২০১৭
  • ===========================================
  • (১২) আমার লেখা সম্পর্কে ফেসবুক বন্ধুদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আমার বিবেকের জবানবন্দি।(২০.০৩.২০১৭);সোশ্যাল মিডিয়াতে আমার সরব উপস্থিতি খুব বেশি দিনের না; বছর দেড়েকের মত হবে। তাইরে নাইরে করে দু’চারটে সম সাময়িক, জীবনধর্মী ও স্মৃতিচারণমূলক স্ট্যাটাস দেয়াতে ফেসবুকের কল্পিত দুনিয়াতে দেশে বিদেশে আমার কিছু বিদগ্ধ পাঠকের সৃষ্টি হয় এবং তারা আমাকে নানাভাবে উৎসাহিত করতে থাকে। আর এ কারণেই এখন অব্দি কিছু লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছি। তবে লিখতে যেয়ে কিছু মজার পাঠকের সাথে আমার মিথস্ক্রিয়া হয়েছে এবং হচ্ছে; তারা কখনো ফেসবুকের মাধ্যমে, কখনো ফোনকল করে বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ করে আমাকে তাদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তারপরও পাঠক প্রিয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবং তাঁদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছু পোস্ট অনিচ্ছা সত্বেও প্রত্যাহার করে নিয়েছি আবার কিছু সংশোধনও করে দিয়েছি।
    কিছু আজব পাঠকের সন্ধান পেয়েছি যারা নিজেদেরকে সব সময় সব কিছুতে সবজান্তা সমীপেষু মনে করেন। কেউ আবার কারুর প্রশংসা করতে নারাজ, বেশি ভাল হলে তারা বলেন,”অত ভাল ভাল না”। কেউবা আমার লেখার অবয়ব বড় বলে আমাকে জ্ঞান দিয়ে থাকেন ছোটবেলা কিভাবে সারাংশ লিখতে হয় সেটা নাকি আমি ঠিকমত রপ্ত করিনি। সারাংশ লেখা শিখিনি এটা যেমন সত্য তেমনি এটাও তো ঠিক কোন ফিচার লেখাতে কোন তথ্য সমন্বয়ের অভাব হলে ঐ পাঠকই চটজলদি বলে বসবেন,“এখানে অনেক তথ্যের ঘাটতি আছে তাই লেখাটি বিকলাঙ্গ হয়েছে”।তাহলে কোনপথে হাঁটবো আমি? .…..বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১২ আমার লেখা নিয়ে পাঠক প্রত্রিক্রিয়ার আমার জবানবন্দি ২০ মার্চ ২০১৭
  • ================================================
  • (১৩)পাঠকের অপরিমেয় ভালবাসায় মুগ্ধ আমি, অভিভূত আমি। সবিশেষ কৃতজ্ঞতা, বিনম্র শ্রদ্ধা ভালবাসা সবার প্রতি! :আমার সাম্প্রতিক একটা ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে আমার জনৈক ফেসবুক পাঠক দুরপ্রাচ্য থেকে আমার ঐ স্ট্যাটাসে আমার দেয়া কোন একটা তথ্যকে ডাহা মিথ্যা বলে অপপ্রচারের চেষ্টা করে। তার হুক্কাহুয়াতে সত্য মিথ্যা যাচাই না করে আরো কিছু পাঠক আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এ ব্যাপারে কানাঘুষা শুরু করেন। অত:পর এটা আমার গোচরে আসার পরে আমি বিগত ২১ মার্চ’২০১৭ তারিখে “আমার লেখা সম্পর্কে ফেসবুক বন্ধুদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আমার বিবেকের জবানবন্দি ” শিরোনামে আমার ঐ সন্দিগ্ধ পাঠকদের ভ্রম সংশোধনের জন্যে এবং আমার দেয়া তথ্য কে ডাহা মিথ্যে নয়, বরং অকাট্য সত্য হিসেবে প্রমাণের লক্ষ্যে আবেগীয় এবং তথ্য নির্ভর স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। ঐ স্ট্যাটাস দেখার পরে দেশে বিদেশের অসংখ্য পাঠক আমার লেখার ব্যাপারে যে ধরনের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন, তাতে মুগ্ধ আমি, অভিভূত আমি। বিদ্গ্ধ ও বিন্দাস পাঠকদের অয়স্কান্ত কথামালায় তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কৌশলগত কারণে এবং অনাবশ্যক সামাজিক বিতর্ক এড়ানোর জন্যে মূল বিষয়টা বরাবরই সর্বসাধারণের জন্যে অবমুক্ত না করলেও কিছু খুব কাছের পাঠক বেশ সহজেই বিষয়টা অনুমান করতে পেরেছেন।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৩ পাঠকের ভালবাসায় আমি মুগ্ধ ২৫ মার্চ ২০১৭
  • ==============================================
  • (১৪) অনলাইন জীবন নিয়ে জাফর ইকবাল স্যারের সাদাসিধে কথার সোজাসাপ্টা মূল্যায়ন।(২৭.০৩.২০১৭): “সাদাসিধে কথা, অনলাইন জীবন” শিরোনামে শিক্ষাবিদ জাফর ইকবাল স্যারের একটা লেখা একযোগে প্রকাশিত হয়েছে, বিগত ২৪ মার্চ’২০১৭ তারিখে, দৈনিক কালের কন্ঠ, দৈনিক জনকন্ঠ এবং বাংলানিউজটয়েন্টিফোর.কম অনলাইন দৈনিকে। গতানুগতিক ধারায় প্রাঞ্জল ভাষার ঐ লেখাটিতে জাফর ইকবাল স্যার বস্তত: ভার্চুয়াল ওর্য়াল্ড বা কল্পিত দুনিয়ার অভিশাপ নিয়ে তাঁর সাদাসিধে মূল্যায়ন করতে যেয়ে তথ্য প্রযুক্তির নেতিবাচক দিকটির উপরে তথ্যভিত্তিক একটা মূল্যায়ন তুলে ধরেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা এমন বরেণ্য বিজ্ঞান, সাহিত্যমনস্ক ও শিশুতোষ লেখকের কোন লেখার উপরে সমালোচনা করা এই অধমের জন্যে ধৃষ্টতার মত মনে হলেও লেখাটার উপরে একটা সোজাসাপ্টা মূল্যায়ন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, একজন সাধারণ পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকে।অনলাইন জগতে অনুপ্রবেশ করে একশ্রেণির ব্যক্তিরা নেশাসক্তির মত বুঁদ হয়ে পড়ে আছে বলে জাফর ইকবাল স্যার তাঁর দৃঢ় অভিমত ব্যক্ত করেছেন, তাঁর ঐ প্রতিবেদনের পরতে পরতে।যে আঙ্গিকে জাফর স্যার তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, লেখার মুন্সিয়ানার কারণে সেটাকে আপাত:দৃষ্টে সত্য বলে মনে হলেও জাফর স্যার নিজের অজান্তেই সেখানে অনেক সমালোচনার রসদ নিজেই সরবরাহ করে গিয়েছেন, অগণিত পাঠকের মাঝে।স্যার তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে একটা প্রশ্নবিদ্ধ তথ্য উপস্থাপন করেছেন সেটা দিয়েই শুরু করি।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৪ অনলাইন জীবন জাফর ইকবালের সমালোচনা ২৭ মার্চ ২০১৭
  • ==============================================
  • (১৫) শহীদ সেলিম কনে ডরোথির আর্তনাদ এবং জাতির বিবেকের কাছে বিনম্র জিজ্ঞাসা ? (২২.০৪.২০১৭); ১৯৮৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বদলীয় ছাত্র মিছিলের উপরে স্বৈরচারী এরশাদের পেটুয়া বাহিনীর পৈশাচিক বর্বরতায় ট্রাক চাপা দিয়ে সজ্ঞানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ছাত্র নেতা সেলিম ও দেলওয়ারকে। ডরোথি সেই শহীদ ইব্রাহিম সেলিমের একমাত্র কনে। আজ দৈনিক প্রথম আলোয় কবি ও প্রথিতযশা সাংবাদিক সোহরাব হাসানের “শহীদ-কন্যা ডরোথি ও আমাদের নিষ্ঠুর সমাজ-সংসার” শিরোনামের হৃদয়গ্রাহী উপ সম্পাদকীয় লেখা পড়ে আমরা আমজনতা ডরোথির আর্তনাদ সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত হই। তাই নিজের বিবেককে সম্বরণ করতে না পেরে দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে লেখক বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ, লেখিয়ে সহ কোটি কোটি প্রগতিশীল ঘরানোর বঙ্গ সন্তানের কাছে সবিনয়ে কিছু প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হলো!!!!ডরোথিকে নিয়ে চমৎকার একটা উপ সম্পাদকীয় লেখার জন্যে শুরুতে আমি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি খ্যাতনামা সাংবাদিক ও কবি, আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়ভাজন মানুষ সোহরাব হাসানকে ।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৫ সেলিম কনে ডরোথির আর্তনাদ ২২ এপ্রিল ২০১৭
  • =================================================
  • (১৬) লেখাপড়ার ডিজিটাল সংস্করণ ও লাইক নির্ভর কল্পিত দুনিয়ার অশনি সংকেত! (২৬.০৪.২০১৭);বস্তুতঃ লেখাপড়া ব্যতিত জ্ঞান আহরণ সম্ভব নয়, যে যত পড়ালেখা করবে তার জ্ঞানভাণ্ডার ততটাই শাণিত হবে।…………হালে ডিজিটাল সংস্করণে পড়ে লেখার বিষয়টি ক্রমাবনতির দিকে। হাতের লেখা মানুষ এখন ভুলতে বসেছে। কম্পিউটারের কীবোর্ড অার স্মার্টফোনের ভার্চুয়াল কীবোর্ড এবং সেখানকার বায়বীয় নোটবুকের বদৌলতে হাতের লেখা এখন উবে যেতে বসেছে। এক সময় সকল শ্রেণি পেশার মানুষ তাদের দুরে বা প্রবাসে বসবাসরত নিকটাত্মীয় প্রিয়জন প্রেমিক প্রেমিকার সাথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে চিঠি লিখত , সেসব পত্র লিখন তো অনেক আগেই হিমঘরে চুপটি মেরে বসে আছে। সেটার পরিবর্তে এসেছে হায় হ্যালো আর মুঠোফোনের কথোপকথন ও ক্ষুদে বারতার চলাচল।হালে আবার দেশে বিদেশে অনলাইন পরিক্ষা পদ্ধতি চালু হয়েছে ……………..আগের দিনে বাজার ঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন হিসেব নিকেশের ক্ষেত্রে খাতায় লেখা যোগ বিয়োগ গুণ ভাগের প্রচলন ছিল কিন্তু এখন প্রতিটি মানুষের পকেটে একখানা করে গননা যন্ত্র রয়েছে, ফলে আমরা এখন সেই লেখ্য যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ ভুলতে বসেছি ।……….আমরা আমাদের লাইফটাকে এতটাই ফাস্ট করে ফেলেছি যে আমরা নিরন্তর busy for nothing এর মত মহাব্যস্ত!………….আবেগ অনুভূতি উচ্ছ্বাস ওসব সেকেলে মধ্যযুগীয় প্রেম ভালবাসার অদৃশ্য উপকরণ ছিল, হাল ফ্যাশনের মানুষের মধ্যে ওসব থাকতে নেই। কার্যত: আমরা ছুটে চলেছি দুর্দান্ত দুর্বার গতিতে। ছুটছি আর ছুটছি! ধর্মের ষাঁড়ের মত কাপুড়ে বাবু সেজে কেতা দুরস্ত হয়ে কচু পোড়া খাবার আর লাল পানির দিকেই যেন আমাদের নজর বেশি!……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৬ লেখাপড়ার ডিজিটাল সংস্করণ ২৬ এপ্রিল ২০১৭
  • =================================================
  • (১৭) বাবা দিবসের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য সকল বাবা ও সন্তানের কাছে সমভাবে প্রযোজ্য নয়! (১৮.০৬.২০১৭): আজ জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস বা পিতৃ দিবস ইংরেজীতে এটাকে বলা হচ্ছে Father’s Day. এ দিবসটি আমাদের সৃষ্ট নয়, অন্যদের সৃ্ষ্ট। এ দিবসটি এখন আমাদের দেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশে কোথাও সাড়ম্বরে, কোথাও অনাড়ম্বরে আবার কোথাও ঘরোয়াভাবে পালিত হয়ে থাকে।অনান্য দিবসের মত বাবা দিবসেরও একটা ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহ রয়েছে। ………পৃথিবীর সব বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকেই দিবসটি পালনের শুরু। ………বাবা দিবসে সন্তান প্রকাশ করে বাবার প্রতি তার ভক্তি শ্রদ্ধা আর ভালবাসা আর বাবা স্নেহের পরশে সন্তানের মাথায় হাত রেখে দোয়া করত: তাঁর দায়িত্বশীলতার দৃঢ়তাকে আরো দৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। বস্তুতঃ এহেন চমৎকার সম্পর্ক যেসব বাবা ও সন্তানের মধ্যে আছে তাঁদের কাছেই বাবা দিবসের তাৎপর্য ও সার্থকতা রয়েছে।এছাড়া এই বিশ্বধরায় অসংখ্য বাবা পাওয়া যাবে যারা শুধু নিজেদের জৈবিক চাহিদা পূরণের জন্যে বাবা হয়েছে বটে, জীবনে কোনদিন বাবার কোন দায়িত্ব এসব বাবারা পালন করে না। যে বাবা তার কনে সন্তানের প্রতি কামনার লোলুপ দৃষ্টি নিয়ে তাকায় বা জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি করে বা করার চেষ্টা করে ঐ কনে সন্তানের কাছে বাবা দিবসের কি তাৎপর্য আছে!……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৭ বাবা দিবসের তাৎপর্য সবার কাছে সমান নয় ১৮ জুন ২০১৭
  • ================================================
  • (১৮) লোক-লৌকিকতা, সামাজিকতা ও উদারতা পারিপার্শ্বিক অবস্থা দ্বারা ভীষণভাবে প্রভাবিত!(২৩.০৬.২০১৭); সেই ছোটবেলা থেকে শিখে আসছি, মানুষ একা থাকতে পারেনা, তাই সে সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। আর সমাজে বসবাস করতে হলে সমাজের কিছু আচার আচরণ রীতিনীতি প্রথা মেনে চলতে হয়, নচেৎ মানুষ সমাজচ্যুত হয়ে পড়ে।বিভিন্ন ধরনের মন মানসিকতা সম্পন্ন লোকের বসবাস রয়েছে আমাদের এই সমাজে। ……………..মানুষের উপর্যুক্ত বৈশিষ্টের ভিত্তিতে সমাজে ব্যক্তির অবস্থান বা গ্রহণীয়তার মাত্রা নির্ণীত হয়ে থাকে। সেই নিরিখে সমাজে কেউ নন্দিত আবার কেউ নিন্দিত হয়ে থাকে। কল্পিত দুনিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে মেলবন্ধন রচনা থেকে বুঝলাম ব্যক্তির অবস্থা, অবস্থান, আচরণ, বিচরণ এবং কর্মক্ষেত্রের কাজের ধরনের উপরে ভিত্তি করে মানুষের মধ্য সামাজিক বৈশিষ্ট্যগুলো প্রভাবিত হয়ে থাকে। যারা অনেক ধরনের মানুষজনের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে ওরা তুলনামূলকভাবে বেশি সামাজিক হয়! যাদের কর্মক্ষেত্রের গণ্ডি সীমিত, যারা কুলীন জাতীয় আর ক্ষমতাশালী পদ বা কর্মের সাথে জড়িত ওরা একটু অসামাজিক হয়! আবার যারা সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মলাভ করে উচ্চশিক্ষা সহ জীবনের বেশীরভাগ সময় মাতৃ আঁচলের ছায়াতলে থেকে নিজের পৈতৃক অসামাজিক পরিবেশে বড় হয়েছে এদের মধ্যে সামাজিকতার রেশ একটু কম থাকে। ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৮ লোক লৌকিকতা পারিপার্ষ্বিক অবস্থা দ্বারা প্রভাবিত ২৩ জুন ২০১৭
  • =================================================
  • (১৯) ষড়ঋতুর ঐশ্বর্য্যমণ্ডিত দেশে ষড়রিপুর প্রভাব আমাদেরকে নাকাল করে তুলছে!! (০১ জুলাই, ২০১৭); সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ! এ দেশের আলো বাতাস জলবায়ু আর সৌদামাটির রূপ রস গন্ধ তুলনাবিহীন। তাই তো বাংলার কবি সাহিত্যিকরা এই দেশ মাতৃকাকে নিয়ে তাঁদের সাহিত্য ভাণ্ডার কে সমৃদ্ধ করে রচনা করেছেন গল্পগাঁথা কবি সাহিত্য অনেক কিছু। এসব লেখনী আমাদের মনকে উতলা করে, হৃদয়কে শাণিত করে, অহংকারী করে আমাদের দেশমাতৃকা নিয়ে। স্বপ্নিল এই দেশে আপন মহিমায় ভিন্ন ভিন্ন ছয়টি বৈশিষ্ট্য আর সুনির্দিষ্ট আবহে আমাদের সামনে হাজির হয়ে আমাদের হৃদয় মনকে করে উৎসারিত ও উদ্বেলিত! আপনার মনের মাধুরি মিশিয়ে যারা এই ষড়ঋতুর সৌন্দর্য্যকে বক্ষে ধারণ করতে পারেন তাঁরাই অনুভব করেন এই আপন ভূবনের অপার মহিমার কথকতা।ঋতু বৈচিত্রের ঐশ্বর্য্যমণ্ডিত এই বঙ্গ সন্তানেরাও এক সময় এই দেশের মতই ছিলেন পূত পবিত্র পরিচ্ছন্ন আর পরিশীলিত মনের অধিকারী। ধীরে ধীরে আধুনিকতার উষ্ণ পরশে আর ষড়রিপুর নেতিবাচক ছোঁয়ায় সেখানেও এসেছে পরিবর্তন।গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- এই ছয়টি ঋতু স্ব স্ব বৈশিষ্ট্য এবং বৈচিত্রময়তা নিয়ে পর্যায়ক্রমে আসা-যাওয়া করে।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ১৯ ষড়ঋতুর দেশে ষড়রিপুর প্রভাব ০১ জুলাই ২০১৭
  • ================================================
  • (২০) এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, ভেঙে যাচ্ছে সংসার! প্রতিকার আবশ্যক! (২০.০৭.২০১৭); ———-দুর্দান্ত গতিতে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ইমার্জিং টাইগারের মত এগিয়ে চলেছে দেশ। তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ এখন শক্ত প্রলেপের তলার আবরণে ঢাকা পড়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে, বেড়েছে সক্ষমতা, জীবনযাত্রায় এসেছে সৌখিনতা। সবই দেশজ উন্নয়নের সূচক সন্দেহ নেই। সাথে সাথে অন্যায় অবিচার অত্যাচার অনাচার অনাসৃষ্টি অপকর্ম এবং বিবাহ বিচ্ছেদের উল্লম্ফন আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলছে। এসব নেতিবাচক সূচক আমাদের সামগ্রিক উন্নয়নের অন্তরায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।সম্প্রতিক সময়ে প্রাপ্ত এক তথ্য বিবরণী থেকে জানা যায়
    দেশে উদ্বেগজনক হারে মানুষের সাজানো গোছানো দাম্পত্য সংসার ভেঙে যাচ্ছে, বিবাহ বিচ্ছেদের হার সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। দাম্পত্য সম্পর্ক ছিন্ন করার ক্ষেত্রে এখন ছেলেদের থেকে অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২০ এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, ভেঙে যাচ্ছে সংসার ১৫ জুলাই ২০১৭
  • =================================================
  • (২১) মন মানসিকতা আর দৃষ্টিভঙ্গির অদৃশ্য মিথস্ক্রিয়া বড়ই জটিল!! (২২.০৭.২০১৭);একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ, হতে পারে সে নারী বা পুরুষ বা ক্লীব লিঙ্গের কেউ, তার আছে একটা দৃশ্যমান দেহায়ব যেটা হলো মানব মানবীর উচ্চমাত্রার হার্ডওয়্যার। এর মধ্যকার হার্ডডিক্স, প্রসেসর এবং র‍্যাম সবই একেবার লেটেস্ট ব্র্যাণ্ডের। অনুরূপ ভাবে এর সাথে কম্পিটেবল করে সেখানে প্রাকৃতিকভাবে ইন্সটল করা হয়েছে সফটওয়্যারের অত্যাধুনিক ভার্সন; যার মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় সমন্বিত রয়েছে ব্যক্তির মন মানসিকতা চিন্তা চেতনা আর দৃষ্টিভঙ্গি যা দিয়ে পরিচালিত হয় ঐ ব্যক্তিটির কর্ম কথা ও আচরণ বিচরণ।একজন ব্যক্তি ভাল না মন্দ নাকি মাঝামাঝি গোছের সেটা বোঝা যায় তার সফট্ওয়্যারে বিদ্যমান মন মানসিকতা চিন্তা চেতনা আর দৃষ্টিভঙ্গির মিথস্ক্রিয়া ও জটিল রসায়নে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণের উপরে।ব্যক্তির এই অদৃশ্য অথচ মহাশক্তিধর সত্বার মিথস্ক্রিয়া আর রসায়ন বড়ই জটিল! এটা কোন ডেফিনিট রুল ফলো করেনা, ফলে এ সম্পর্কে প্রেডিকশন করা বড্ড কঠিন, জটিল এবং কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই অসম্ভব! মানুষ ভাবে এক, প্রকাশ করে অন্য কিছু, বলে আলাদা, কর্মে দেখা মেলে ভিন্ন কিছুর। তাই এসব ক্ষেত্রে সমাজ বিজ্ঞানীরা সমাজতত্ব নিয়ে গবেষণা করতে যেয়ে বড্ড বিপাকে পড়েন, ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২১ মন মানসিকতা আর দৃষ্টিভঙ্গির জটিল মিথস্ক্রিয়া ২২ জুলাই ২০১৭
  • =================================================
  • (২২) বিত্ত বৈভব ক্ষমতার মাদকতায় সুখ নেই; সুখ আপনার নিজের মাঝে!(২৯.০৭.২০১৭);বাংলা দু’ অক্ষরের ছোট্ট একটা শব্দ হলো “সুখ”, যা একটা মনোগত ও মানবিক অনুভূতি, চোখে দেখা যায় না, শুধু অনুভব করতে হয় অন্তরাত্মার গভীর থেকে। তৃপ্তি, আনন্দ, উচ্ছ্বাস দিয়ে প্রকাশিত হয় সুখের অনুভূতি। সমৃদ্ধি, উন্নতি, প্রগতি ও সুস্থতাকেও সুখের অন্যতম উপকরণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।সুখ একটা আপেক্ষিক ব্যাপার; যার স্বরূপ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্য ভিন্নতর হয়ে থাকে। আবার অবস্থা, অবস্থান এবং কাল পরিক্রমায় সুখের স্বরূপ পরিবর্তিত হয়। জৈবিক, মানসিক, মনস্তাত্বিক, দার্শনিক এবং ধর্মতত্ব কখনো কারুর কাছে সুখ পরিমাপকের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।তাই সুখের পরিমাপও বেশ কঠিন ও জটিল বিষয়। প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি, ব্যক্তি স্বাধীনতা, শারীরিক মানসিক সুস্থতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি, আশাবাদ ইত্যাকার নানান বিষয়ের সাথে সুখের পরিমাপ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। সুখ সম্পূর্নই মনোগত বিষয়, যা হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে হয়। তাইতো সুখ নিয়ে কবি সাহিত্যিক, গীতিকার, সুরকারদের কাব্য কথা লেখনী ও সুরেরও যেন কোন আদি অন্ত নেই। ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২২ বিত্ত বৈভবে নয় সুখ আপনার মাঝে ২৯ জুলাই ২০১৭
  • ================================================
  • (২৩)কল্পনাবাস্তবতারসংঘর্ষকে সমন্বয় করেই আমাদের ভাল থাকতে হয়!(০১.০৮.২০১৭);জন্ম থেকে মৃত্যু অব্দি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মধ্যে তার কল্পনা ও বাস্তবের সাথে নিত্য নৈমিত্তিক সংঘর্ষ চলতে থাকে; কখনো সেই সংঘর্ষের ফলাফল ভাল হয় আবার কখনো বা মন্দ। কল্পনার সাথে বাস্তবের আশানুরূপ প্রাপ্তিযোগ ঘটলে সেখানেও কল্পনা ও বাস্তবের সাথে একটা সংঘর্ষ ঘটে তবে সে সংঘর্ষ ইতিবাচক, নেতিবাচক নয়। কিন্তু কল্পনার সাথে বাস্তবের প্রাপ্তি যখন বিপরিতার্থক হয় তখন সেই সংঘর্ষ নেতিবাচক হিসেবে দেখা দেয়; এবং সেটার পরিণাম কখনো কখনো ভয়াবহতায় রূপ নেয়!“সংসার সাগর মাঝে,দুঃখ তরঙ্গের খেলা,আশা তার একমাত্র ভেলা”জন্ম থেকে মৃত্যু অব্দি মানুষ এভাবেই আশা নিয়ে বেঁচে থাকে।দুরারোগ্য মরণ ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দারে উপনিত হওয়ার পরেও মানুষের মধ্যে বাঁচবার প্রচণ্ড আকুতি কাজ করে। বৈচিত্রময় এ জগতে বিচিত্র মানুষের জীবন ও মন ! জীবন কখনো সরল সোজা পথে চলে না। প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষের ঘুমবিহীন গড়পড়তা ১৮ ঘন্টার দিনলিপির মধ্যে ক্ষণে ক্ষণে তাঁকে কল্পনা ও বাস্তবের সাথে সংঘর্ষ মোকাবেলা করেই দিনাতিপাত করতে হয়। মানব মনের এটাই সহজাত প্রবৃত্তি। যখন মন খারাপ হয় তখন শুরু হয় কল্পনা আর বাস্তবের ঋণাত্মক সংঘর্ষ! স্বাভাবিক আর ছোটখাট সংঘর্ষকে মেনে নেয়া সহজ হলে যখন সংঘর্ষ তীব্রতর হয় তখন সেটাকে সমন্বয় করে সুস্থ থাকা বড্ড কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এই সংঘর্ষের সাথে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির মন মানসিকতা আর দৃষ্টিভঙ্গি ভীষণভাবে সম্পর্কিত!  ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৩ কল্পনা ও বাস্তবের সংঘর্ষকে সমন্বয় করে ভাল থাকতে হয় ০১ আগস্ট ২০১৭
  • ==============================================
  • (২৪) স্বার্থ, অর্থ ঈর্ষা সংশ্লিষ্ট বন্ধুত্ব,শত্রুর সাথে ঘরবসতিরই নামান্তর!(০৬.০৮.২০১৭); আজ বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস (International Friendship Day)।যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিনটি পালিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিনে আমার সঞ্চিত অভিজ্ঞতার আলোকে এমন একটা বিষয় নিয়ে লিখতে মন চাইলো। তার আগে আসুন জেনে নিই বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবসের যৎকিঞ্চিত ইতিহাস।……ন্ধুত্ব হচ্ছে দুই বা ততোধিক মানুষের মধ্যে একটি অদৃশ্য মনোগত সম্পর্ক যার সাথে একে অপরের পারস্পরিক ভালবাসা স্নেহ মমতা ও প্রেম প্রীতির সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধুত্বকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের খুব কাছের একটি অংশ বলে মনে করা হয়।বন্ধুত্বের গুরুত্ব উপলব্ধি করার জন্যে কবি বা দার্শনিক হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। আপনার আনন্দ,বেদনা এবং দুঃখে আপনার পাশে কেউ না থাকলে আনন্দ যেমন বহুলাংশে মাটি হয়ে যায়, তেমনি দুঃখ বেদনাও সহজে হালকা হয় না। মানুষ যখন বেদনা ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে, মনটা বিষিয়ে যায়, তখন বন্ধুর কাছ থেকেই সে প্রথম সান্ত্বনা পাবার প্রত্যাশা করে, আবার যখন আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে, হৃদয়ে পুলক অনুভব করে তখনও এ আনন্দের বারতা প্রথম বন্ধুকেই জানাতে চায় বা জানায়। বন্ধুত্বের সাথে মনোজাগতিক আবেগ অনুভূতি জড়িত তাই বন্ধুত্ব আনন্দের সাথে সাথে সমস্যারও সৃষ্টি করতে পারে। ফলে বন্ধুর কাছ থেকে কতটুকু চাওয়া ও পাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে উভয়র মধ্যে একটা সুস্পষ্ট ধারণা থাকলে ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নেই।…………..কার্যত: আত্মার শক্তিশালী বন্ধন হল বন্ধুত্ব । বন্ধুত্ব এক মনোরহস্যের বিশাল বাতিঘর! ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের অভাবে মানুষ কষ্ট পায়, মানসিক দ্বন্দ্ব সংঘাত মানুষের মনকে অস্থির অশান্ত করে তোলে যা কখনো আত্মহননে উদ্বুদ্ধ করে।বন্ধুত্বের স্বরূপ অনেক! অবস্থা, অবস্থান, বয়স, লিঙ্গ,ধর্ম, বর্ণ ভেদে বন্ধুত্বের স্বরূপে ভিন্নতা দেখা দেয়। স্নেহ, মমতা, সহানুভূতি, সহমর্মিতা, সততা, পরার্থপরতা, পারস্পরিক বোঝাপড়া, সমবেদনা, ঘনিষ্টতা, আস্থা, বিশ্বাস, যোগ্যতা, আবেগ, অনুভূতি, উচ্ছ্বাস সব অদৃশ্য বিষয়গুলো বন্ধুত্বের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ।……….এত কিছুর পরেও পারস্পারিক বন্ধুত্ব হতে হবে নিরেট, নিষ্কুলষ, খাঁটি ও নির্ভেজাল। অর্থ, স্বার্থ, ঈর্ষা আর কুৎসার বাতাবরণে মোড়া বন্ধুত্ব সে তো শত্রুর সাথে ঘর বসতিরই নামান্তর!যুগে যুগে দেশে বিদেশে আমরা বন্ধুত্বের নামে কিছু তথাকথিত বন্ধুদের দেখা পায়। এসব প্রশ্নবিদ্ধ বন্ধুরা বাস্তবে “সুসময়ের বন্ধু” বা “বসন্তের কোকিল”। বাস্তবে এরা কোন বন্ধু নন!! বন্ধুত্বের এই স্বার্থপরতায় পড়ে আমরা নানাভাবে নাকাল হয়ে বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়ি। যদি কোন বন্ধুত্ব স্বার্থ আর অর্থের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যায় তাহলে সেই বন্ধুত্বে ধস নামতে বাধ্য।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৪ স্বার্থ ও অর্থ সংশ্লিষ্ট বন্ধুত্ব শত্রুর সাথে ঘর বসতির নামান্তর ০৬ আগস্ট ২০১৭
  • =================================================
  • (২৫)স্মার্ট হওয়া ভাল,তবে তথাকথিত অতি স্মার্ট ভাল নয়! (২৫.০৮.২০১৭); স্মার্ট (smart) একটা ইংরেজী শব্দ হলেও এটা বাংলা ভাষাতে খুব পরিশীলিত বা স্মার্টলি (smartly) ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অনলাইন ডিকশনারী, অনুসারে ব্যক্তির ক্ষেত্রে smart এর সংগা হলো: “The definition of smart is someone who is intelligent, someone who is well dressed and looking sharp or something that can act on its own accord.”
    এটার বাংলা অর্থ করলে যা দাঁড়ায় তা হচ্ছে:“ভাল পোশাকধারী দেখতে সুন্দর একজন চৌকস ব্যক্তি, যা তার আচরণে প্রকাশ পায়”।আমরা উপরের সংগাটিকে বিশ্লেষণ করে স্মার্ট ব্যক্তির যেসব বৈশিষ্ট্য থাকার আবশ্যকতা রয়েছে……..
    হালে এসে আমরা বিভিন্ন শ্রেণি পেশা ও বয়সী মানুষদের মধ্যে কিছু তথাকথিত ওভার স্মার্ট নর নারীর দেখা পায়। এরা নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য লালন পালন ও ধারণ করে নিজেদেরকে অতি স্মার্ট হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও প্রকারন্তরে এদের বৈশিষ্ট্য তথাকথিত স্মার্ট বা আন স্মার্টেরই নামান্তর! এ ধরনের স্মার্টনেসের সার্বজনীনতা নেই বললেই চলে, ফলে আমাদের সমাজে এসব স্মার্ট নর নারীরা স্মার্ট শব্দের অপব্যবহার করে চলেছে।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৫ স্মার্ট ভাল তবে অতি স্মার্ট নয় ১১ আগস্ট ২০১৭
  • ============================================
  • (২৬) প্রত্যাশাকে শূণ্যের কোটায় নামিয়ে আনুন,নইলে অপ্রাপ্তির বেদনায় ভারি কষ্ট পাবেন! (২৫.০৮.২০১৭); আশার প্রকৃষ্ঠ রূপায়নই হচ্ছে প্রত্যাশা। আমি উপর্যুক্ত আপ্তবাক্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করবো না, তবে এখানে শুধু একটু যোগ করতে চায় যে, আপনি আশা করবেন প্রত্যাশা করবেন সেই লেভেল পর্যন্ত যেটা আপনার স্বীয় প্রচেষ্টার দ্বারা অর্জন করা সম্ভব, তার বেশি নয়। আপনি যদি ধরে নেন যে, আপনার পুত্র কনেরা প্রতিভাবান, এরা জীবনে বিরাট কিছু হবে, সেটাও যখন তখন ভুল প্রমাণিত হতে পারে। আবার আপনার গাদ্ধুস পুত্র কনেটিও কিন্তু কোন এক ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে গিয়ে আপনার মুখ উজ্জ্বল করতে পারে।আপনার ভবিষৎ জীবন নিয়ে বিরাট একটা আকাশ কুসুম কল্পনা করে বসে থাকলেন, আদতে তার উল্টোটা হতে পারে। আবার মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মত ভাল কিছু প্রাপ্তিযোগ হতে পারে আপনার জীবনে।আবার,আপনি যদি মনে করেন যে, আপনার খুব কাছের মানুষ আপনার স্ত্রী পুত্র কনে ভাই ভগ্নি বন্ধু বান্ধব বান্ধবী আপনার জন্যে কিছু না কিছু করবেন, আপনাকে আপনারই মত করে ভাববেন, বুঝবেন, আপনার প্রতি সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখাবেন; আপনার খুশিতে ঠেঁকিতে আনন্দ নাড়ু কুটবেন; আপনার দুঃখে মুষড়ে পড়বেন, আপনার বিপদে আপনার পাশে ত্রাতা হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবেন; তাহলে আমি খুব দৃঢ়তার সাথে বলবো আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আশা করলে আপনি আশাহত হবেনই, নিরাশার কালো ছায়া আপনাকে গ্রাস করবেই করবে। কারুর জন্যে কিছু করলে আপনি মনে করবেন সে আপনার ক্ষতি করবে, যদি আপনার ক্ষতি সে না করে তাহলে তো আপনি মহা ভাগ্যবান যে, আপনার দ্বারা উপকৃত হওয়া ব্যক্তিটি অন্তত: কৃতঘ্ন নন।তাই আমার এতটা বছরের নিবিড় পর্যবেক্ষণ: আপনার নিকটজনের কাছ থেকে ন্যূনতম কিছু প্রত্যাশা করলে আপনি কেস খেয়ে যেতে পারেন। ভবিষৎকে ভবিতব্যের উপরে ছেড়ে দিন।অতএব কারুর থেকে কোন কিছু প্রত্যাশা করার ব্যাপারে বড্ড সাবধান থাকুন।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৬ প্রত্যাশাকে শূণ্যের কোটায় নামিয়ে আনুন ২৫ আগস্ট ২০১৭
  • ==============================================
  • (২৭) বলৎকার শেষে রূপার নির্মম হত্যাকাণ্ড, আশুলিয়ার নারীর ৩৫ টুকরা লাশ ও অব্যক্ত যৌন নিগ্রহের কবলে নারীরা! (০৮.০৯.২০১৭): পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, প্রতারণা, যৌতুকের বলি সহ হাটে মাঠে ঘাটে অফিস রেস্তোরায় নানাভাবে নারী এখনো সম্ভ্রমহানির শিকার হচ্ছে। এসব নিয়ে প্রতিনিয়ত কোন না ভাবে খবরের শিরোনাম হচ্ছে ইলেকট্রোনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াগুলো।হালে দেশে নারী নিগ্রহের দুটো রোমহর্ষক খবর আমাদের গোচরীভূত হয়েছে।প্রথমত:বিগত ২৫ আগস্ট চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর ঘাড় মটকে নির্মমভাবে হত্যা করে রূপার লাশ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনে ফেলে চলে যেয়ে স্ব স্ব বাড়িতে স্বাভাবিক থাকে ধর্ষক দলের সদস্যরা। ধর্ষকরা সবাই বাসের হেলপার, ড্রাইভার ও সুপারভাইজার। রূপার কোন আকুল আর্তি ধর্ষকদের মন কাড়েনি। এরা এদের আদম নেশা চরিতার্থ করে মেয়েটিকে নির্মমভাবে হত্যা করে!দ্বিতীয়ত: এই ঘটনার ঠিক এক সপ্তাহ বাদে বিগত ০১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে ঢাকাস্থ আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রবাসী মাসুদ মিয়ার ভাড়া বাড়িতে একটি ড্রামের ভেতর থেকে একজন নারীর ৩৫ টুকরা লাশ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। ঐ ঘরে স্বামী-স্ত্রী দুইজন বাস করতেন। স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।সাম্প্রতিক এ দুটো ঘটনা নারীর উপরে অত্যাচার ও নির্যাতনের চরম নিদর্শন!আমাদের দেশে নারীর উপরে অসংখ্য যৌন নিগ্রহের ঘটনা নিত্য নৈমিত্তিক । যতটুকু পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে প্রকৃত ঘটনা তার থেকে অনেক বেশি, কোন সন্দেহ নেই।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৭ অব্যক্ত যৌন নিগ্রহের কবলে নারীরা ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ===============================================
  • (২৮) নারী নির্যাতন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান!(০৯.০৯.১৭):………….এরপর আমাদের দেশে নারী নিগ্রহের আরো অনেক ঘটনা ঘটলে সেসব বিষয়ে দৃশ্যমান সাজা কার্যবরের কোন খবর আর আমাদের নজরে আসেননি; ফলে নারী নিগ্রহের সাজা কার্যকরের ক্ষেত্রে আমাদের সামনের বিস্তীর্ণ পথকে বেশ তমসাচ্ছন্ন মনে হচ্ছে। ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের মত স্পর্শকাতর বিষয়ের বিচারিক কার্যক্রমের গতিময়তা দেখে বিদগ্ধজনেরা বলছেন অদ্ভূত এক উটের পিঠে চড়ে চলছে আমার প্রিয় স্বদেশ! জানিনে এসব নিয়ে কি বলা উচিৎ আর কি বলা উচিৎ নয়।এ তো গেল বিচারের দীর্ঘসূত্রতা। অন্যদিকে বিচার চলাকালে বিচারিক আদালতে যেভাবে ধর্ষিতাকে কাঁঠগড়ায় ধর্ষকের আইনজীবীর জেরার মুখোমুখি হতে হয় এবং ধর্ষিত মেয়েটির পূর্বাপর চরিত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়, তাতে ধর্ষিতা এবং তার অভিভাবকের কাছে বিচারের বিষয়টিকে তখন ভিক্ষে চাইনে মা কুকুর ঠেকানোর মতই মনে হয়। আবার ধর্ষিতার মেডিক্যাল টেস্টের বিষয়টিও সুখকর কিছু নয়!
    প্রতিটি স্টেজে ধর্ষিতা মেয়েটিকে মানসিক হয়রানিতে পড়তে হয়, বিয়ের বাজারে সে হয়ে যায় মূল্যহীন। সবশেষে বিষয়টি নিষ্পত্তি হতে কেটে যায় বহু বহু বছর; সুতরাং এ অবস্থা কাম্য হতে পারে না।এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্যে এ অধমের স্থুল মস্তিষ্কের ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৮ নারী নির্যাতন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • =============================================
  • (২৯)গগনচুম্বী সাফল্যের পরেও অব্যক্ত ও সূক্ষ যৌন নিগ্রহে অসম্মানিত হচ্ছে আমাদের নারীরা!! (১০.০৯.১৭); আটপৌরে শাড়ি পরে ঘরকন্যা পেতে গৃহকোণে চার দেয়ালের মধ্যে অন্তরীন থাকার সময় আমাদের দেশের মেয়েরা অনেক আগেই শেষ করেছে। জলে স্থলে অন্তরীক্ষে দেশে বিদেশে সর্বত্র আজ আমাদের মেয়েদের দীপ্ত পদচারণায় মুখরিত। রাজনীতি থেকে শুরু করে শক্তিমত্ত কাজেও মেয়েদের সফলতা গগনচুম্বী! “যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে” এমন আপ্তবাক্যকে সত্য প্রমাণ করে আমাদের মেয়েরা এখন সাফল্যের অনেক শীর্ষে আসীন হয়েছেন এবং হচ্ছেন। ঘরে বাইরে সব জায়গাতে তাদের অসামান্য সফলতা রয়েছে। তাঁদের উর্ধগতির ব্যারোমিটারের পারদ তরতর করে উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে! তারা আর ঘরের কোণে বদ্ধ নেই, জগৎটাকে দেখে সেটা জয় করে পুরুষ জাতির মুখে কলঙ্কের কালো টিপ বসাতে শুরু করেছে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, পরিক্ষার রেজাল্ট ও চাকুরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে মেয়েদের উত্তরণ অভাবনীয়! শত অসম্মান নিগ্রহ ও লাঞ্চনাকে পেছন ফেলে তারা সাফল্যের সোপান বেয়ে তরতর করে উপরে উঠে যাচ্ছে। এর জন্যে আমরা আমাদের মা বোনদের নিয়ে অহংকার করতেই পারি।এতসব সাফল্য আর উল্লম্ফনের পরে আমাদের মেয়েদের উপরে যৌন হয়রানি, নানাবিধ অত্যাচার নির্যাতন নিগ্রহ কিন্তু থেমে নেই। প্রতিনিয়ত এসব খবরের শিরোনাম হচ্ছে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও কল্পিত জগতে। এরপরে যৌন নিগ্রহের খবর অপ্রকাশিত রয়ে যাচ্ছে ঢের বেশি। প্রকাশিত এসবের বাইরেও অব্যক্ত ও সূক্ষ যৌন হয়রানির কবলে প্রতিনিয়ত নিষ্পেষিত হচ্ছে আমাদের মেয়েরা। ……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ২৯ গগনচুম্বী সাফল্যের পরেও নিগৃহীত হচ্ছে নারীরা ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ==============================================
  • (৩০) প্রেম প্রীতি ভক্তি শ্রদ্ধা ভালবাসা বন্ধুত্ব এখন মেকি হয়ে যাচ্ছে! (১৫.০৯.২০১৭); একবিংশ শতাব্দীর এই উষালগ্নে জাতি সমাজ রাষ্ট্র মহারাষ্ট্রে বিভিন্ন বিভিন্ন বিষয়ে প্রভূত উন্নতি হয়েছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করেছে। বিজ্ঞান আমাদেরকে বেগ দিলেও কেড়ে নিয়েছে আবেগ; ফলশ্রুতিতে প্রেম প্রীতি ভালবাসা ভক্তি শ্রদ্ধা ভালবাসা স্নেহ মমতা সহযোগিতা সহমর্মিতা পরার্থপরতা এসব মনোগত আবেগীয় বিষয়গুলো ভীষণভাবে যান্ত্রিকীকরণ আর মেকি হয়ে যাচ্ছে। বন্ধু বৎসল বাঙালী জাতি তাদের এই অহংকারের জায়গা থেকে ক্রমাগত পেছনে সরে যাচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে একটা সময় আমরা প্রেম ভালবাসা বিহীন কৃত্রিম মানুষে পরিণত হয়ে যেতে পারি বৈ কী! আমরা আমাদের নিজেদের নিয়ে এতটাই মোহাবিষ্ট রয়েছি যে, অতি আপনজনের ভাল মন্দ খোঁজ নেয়া, তার কথা শোনা, তার পাশে দুদণ্ড বসার সময় যেন হারিয়ে যাচ্ছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতায় প্রিয়জনকে ল্যাং মেরে কিভাবে সামনে যাওয়া যায় রীতিমত তার মচ্ছব চলছে। কথায় কথায় তৃতীয় পাণির অপপ্রয়োগ হচ্ছে, অবলীলায়।……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ৩০ প্রেম প্রীতি ভালবাসা বন্ধুত্ত মেকি হয়ে যাচ্ছে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ============================================
  • (৩১) কৌতূহলী পাঠকের বিস্ময়কর ও নেতিবাচক প্রশ্নে আমার সাদামাটা জবানবন্দী! (০৩.১১.২০১৭):কল্পিত বিশ্বের সামাজিক মাধ্যমে একটু আধটু লেখালেখি করতে যেয়েই আমার লেখ্য সাধনার হাতেখড়ি। এক্কাদোক্বা করতে করতে এখনো মাঝে মাঝে ঢাউস মার্কা প্রতিবেদন লিখে ফেলি। একেবারে খুব কাছের মানুষ ছাড়া আমার এক শ্রেণির কৌতূহলী পাঠকের বিস্ময়কর জিজ্ঞাসা, আমি এতটা সময় কোথায় পায়? ফেসবুকে লেখার পাশাপাশি আজ থেকে ঠিক একমাস আগে গত মাসের ০৩ তারিখে যখন একটা ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট(www.drakhtaruzzaman.info) জনগণের জন্যে উন্মুক্ত করে দিলাম, তখন সেই ওয়েবসাইটের অবয়ব এবং মেনু সাবমেনু দেখে কেউ কেউ রীতিমত ভিমড়ি খেয়ে পড়লেন এই ভেবে যে, এতবড় কর্মযজ্ঞ এই বয়সে কিভাবে একা একা সম্পন্ন করবো! কেউ বললেন “অসম্ভব”।
    পাঠকের এসব প্রতিক্রিয়া নিয়ে অনেক ফোন কল ও ক্ষুদে বার্তা পেয়েছি এবং পাচ্ছি।এ তো গেল এক ধরনের প্রতিক্রিয়া, অন্যদিকেটিপ্পনী দিয়ে আর ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে আড়ালে আবডালে কেউ কেউ বলা শুরু করলেন, “খেয়ে দেয়ে কাজ নেই, যত্তোসব আকাম করছে…”। কেউবা জানান দিচ্ছেন, “…..অফিস কাজ বাদ দিয়ে সব ব্যক্তিগত কাজ নিয়ে সময় কাটাচ্ছি….”।তাই মনে হলো আমার কৌতূহলী আর ঈর্ষাকাতর পাঠকের বিস্ময়কর ও নেতিবাচক প্রশ্নের উত্তর দেয়াটা আমার বিবেকের দায়ও বটে!.…..বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ৩১ বিস্ময়কর প্রশ্নের সাদামাটা উত্তর ০৩ নভেম্বর ২০১৭
  • ===============================================
  • (৩২) অব্যক্ত কষ্টের যাতনা সহ্য করা বড়ই কষ্টকর! (০৪.১২.২০১৭):দুঃখ বেদনা হতাশা নিরাশার শেষ পরিণতিই হলো কষ্ট! কষ্ট দ্বিবিধ: শারীরিক কষ্ট এবং মানসিক কষ্ট।মানব জীবনে এমন এমন কিছু কথা, ব্যাথা বা কষ্ট আছে যা আমৃত্যু নিজের মধ্যে লালন করতে হয়, কারুর কাছে প্রকাশ করা যায় না। আবার কিছু কষ্ট আছে সেগুলো যারা কষ্ট দিচ্ছে তাদের সামনে প্রকাশ করা যায়না। বস্তুতঃ এ সবই অব্যক্ত কষ্ট! কষ্ট ব্যক্তিকে কতটা ভোগান্তি দেবে সেটা নির্ভর করে কষ্টের তীব্রতা কতটা তার উপরে। শারীরিক কষ্টের প্রভাব সবার কাছেই কমবেশী সমান কিন্তু মানসিক কষ্টের আপেক্ষিকতা রয়েছে। কাউকে অল্পতে বেশি কষ্ট পেতে দেখা যায়, কেউ আবার অনেক কঠিন অবস্থার মধ্যে থেকেও মানসিকভাবে ভাল থাকার প্রাণান্তকর চেষ্টা করে থাকেন। কষ্ট বিলাসী কেউ ঠুনকো কারণে কষ্টকে আমন্ত্রণ জানাতে পছন্দ করেন! কেউবা অতীব সেন্টিমেন্টাল ; কথায় কথায় এদের মেজাজের পারদ শীর্ষে উঠে যায়। আবার মাঝে মাঝে কিছু প্রায় অনুভূতি শূণ্য মানুষেরও সন্ধান পাওয়া যায়, যারা সব সময় কষ্টকে পাশ কাটিয়ে তাদের মত করে স্বাভাবিক থাকতে চেষ্টা করে। মানবের কষ্টকর অনুভূতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর অনেকখানি তার বংশগতির ধারা বহনকারী জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।ব্যক্তিগত ভাবে আমি সব সময় আমার নিজেকে জানার ও বোঝার মাঝ দিয়ে যতটা সম্ভব সকল অবস্থার সাথে সমন্বয় করে আশাবাদী হয়ে থাকতে চেষ্টা করি।এতকিছুর পরেও কিছু অব্যক্ত কষ্ট বারবার আমাকে এবং আমার মত অনেক আম আদমিকে নিতুই আহত করে চলেছে। জীবনের শেষ লগনে এসে মনে হচ্ছে অব্যক্ত মানসিক কষ্টই সবচে বেশী পীড়াদায়ক! যে কষ্টের কথা বলা যায় না, সওয়া যায়না, লেখা যায় না; কোনভাবেই নির্ভার হওয়া যায় না! এ বড় আজব কষ্ট!! কষ্ট আর কষ্ট!! এ কষ্ট মনের, শরীরের নয়!……বিস্তারিত নিচে দেখুন……….
  • ৩২ অব্যক্ত কষ্টের যাতনা সহ্য করা কঠিন ০৪ নভেম্বর ২০১৭
  • =================================================
  • (৩৩) যা করতে পারতাম তা পারলাম না; যা দেখাতে পারতাম তা দেখানো হলো না। এ ব্যর্থতার দায়ও আমার নয়! (০৬.১১.১৭); ছোটবেলা হতেই শুনে আসছি “লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে”। জ্ঞানের চর্চা করুন কারণ “জ্ঞানই শক্তি”! এমনি আরো কত কী?
    কিন্তু জীবনের মূল্যবান সময়ের এই টার্নিং পয়েন্টে এসে চারপাশে যা চোখে পড়ে তা দেখে এখন মাঝে মাঝে ওসব আপ্তবাক্যকে অনেকখানি অন্তসারশূণ্য বলে মনে হয়। লেখাপড়া করে মহা যোগ্যতা অর্জন করেও বহু উচ্চ শিক্ষিত মানুষকে গাড়ি ঘোড়ায় চড়া তো পড়ে মরুক অনাহারে দিনাতিপাত করার উদাহরণ কিন্তু আমাদের দেশে কম নেই।জ্ঞান যোগ্যতা দক্ষতা মেধা মননশীলতা অনেক সময় হিমঘরে আবদ্ধ হয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে থাকে!
    জ্ঞানী মানুষকে কখনো নানাভাবে অপমান অপদস্থ অসম্মান করার জন্যে একটা গোষ্ঠি নিরন্তর চেষ্টা করে, ফলে জ্ঞানকে শক্তি বলবো না অপশক্তি বলবো, ভেবে পাইনে, বেশ ধন্ধে লাগে!প্রকারন্তরে আপাত: অযোগ্যতা, অদক্ষতা, নামকাওয়াস্তা পড়ালেখা সম্পন্ন অনেক মানুষকে সাফল্যের অনেক শীর্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়; তথাকথিত এসব জ্ঞানী ও স্বশিক্ষিত বিজ্ঞজনেরা অর্জন করেন অঢেল বিত্ত বৈভব আর সামাজিক সম্মান!……………….তাই অবস্থাদৃষ্টে মাঝেমাঝেই মনে হয়:
    “যা করতে পারতাম, তা পারলাম না; যা দেখাতে পারতাম তা দেখানো হলো না। এ ব্যর্থতার দায়ও আমার নয়”! আমি তো কাজ করতেই চেয়েছিলাম কিন্তু অপার সুযোগ থাকা সত্বেও আমাকে কাজে লাগানো হলো না; আসলে কাজই তো আমার দ্বারা সম্পাদিত হতে চায় না বা যারা আমার কাজের নিয়ন্ত্রক তারা আমাকে পছন্দ করে না!..……বিস্তারিত নিচে দেখুন……
  • ৩৩ যা পারলাম না সে দায়ও আমার নয ০৬ নভেম্বর ২০১৭
  • ==============================================
  • (৩৪) ফেসবুকে কমেন্টস্ করা ও লাইক দেয়ার ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্টতা লক্ষ্যণীয়!: অনেকদিন ধরে ফেসবুকে একটু আধটু লেখালেখি করে থাকি। ফেসবুক থেকে অনেক কিছু যেমন শেখার আছে, তেমনি মাঝে মধ্যে কিছু মিথ্যাচারের প্রভাবও দেখা যায়, তবে মিথ্যচারটা খুব বেশিদুর এগুতে পারে না, কারণ সেটাতে কুঠারাঘাত করার জন্যে আরেকটি কাউন্টার এ্যক্টিভিস্ট গ্রুপ সব সময় সক্রিয় থাকে।সবচে বিরক্তির লাগে যখন দেখা যায়, সজ্জ্বন আর বিদগ্ধজনদের মত বরেণ্য মানুষেরা অর্থহীন সব ছবি ও বক্তব্য তাঁদের স্ব স্ব ওয়ালে পোস্ট করেন। যাকগে এটা যার যার ব্যক্তিগত অভিরূচির ব্যাপার! কারণ এই সোশ্যাল প্লাটফরমে সবার সমধিকার রয়েছে।বিস্ময়কর ব্যাপার হলো ফেসবুক থেকে বহুধা অঁচলের বহুমাত্রিক জ্ঞানারোহণের সুযোগ থাকলেও সে ধরনের পাঠকের সংখ্যা খুবই কম! এখানে সবচে বেশি চলে লাইক আর রিএ্যাকশন নির্ভর এ্যাকশন্ কার্যক্রম। কারুর একটা ভাল পোস্ট ঠিকঠাক মত পড়ে বস্তুনিষ্ঠ কমেন্টস্ করার মত পাঠকের সংখ্যা খুব বেশি পাওয়া যায় না! এখানেও পাঠকদের মধ্যে পক্ষপাতদুষ্টতা লক্ষ্য করা যায়। রীতিমত ফেসবুকে একটা তেলাতেলির অলিখিত প্রতিযোগিতা ও সংস্কৃতি চলে। যার যেখানে স্বার্থ আছে সেখানে এই তৈল মর্দনের নহর বইতে দেখা যায়। কেউ কাউকে পটাতে চাইলে বা প্রেম নিবেদন করতে চাইলে বা কোন নৈতিকতা বিরোধী সম্পর্ক করতে চাইলে সেখানে কমেন্টসে্র ধরণ পাল্টে যায়। ফলে দেখা যায় অপেক্ষাকৃত অনেক দুর্বল লেখার জন্যে অনেকে অনেক অসাধারণ কমেন্টস্ করেন আবার অনেকের ভাল ভাল লেখার জন্যে কোনও লাইকও পড়তে চায় না! মোদ্দাকথা কথা হলো ফেসবুকের কোন লেখার মূল বক্তব্য বা লেখার কন্টেন্ট জরুরী নয়, কখনো জরুরী হয়ে যায় কার কতটা স্বার্থ কোথায় নিহিত রয়েছে! অধিকন্তু সেলিব্রেটিদের পোস্টে দু’চারটা কমেন্টস করে তাঁদের দৃষ্টি আর্কষণের চেষ্টা কমবেশি সবাই করে থাকেন।সবচে দুঃখজনক হলো সম্মানীয় ও বিজ্ঞজনেরা ক্ষমতাসীন পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুতির (সঙ্গত বা অপরাধজনিত কারণে) সাথে সাথে ফেসবুকে পাঠকপ্রিয়তার দারুণ ধস নেমে আসতে দেখা যায়!প্রিয় পাঠক, আপনারাই বলুন এমন ভক্তি শ্রদ্ধা আর ভালবাসা প্রকৃতার্থে শত্রুর সাথে ঘর বসতিরই নামান্তর নয় কিদ্রষ্টব্য: মাফ করবেন, এটা নিছক আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ! আপনাদের ভিন্নমত মত থাকলে, লিখে জানান প্লিজ!..……বিস্তারিত নিচে দেখুন……
  • ৪ ফেসবুকে কমেন্টস্ করার ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্টতা লক্ষণীয় ০৭ নভেম্বর ২০১৭
  • ==============================================