আমার অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও দক্ষতা

  •        যোগ্যতা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা এই তিনটি বিশেষণ মূলক শব্দ মোটামুটি সমার্থক। এই শব্দত্রয়ের মাঝে সূক্ষ পার্থক্য থাকলেও আমরা তিনটি শব্দকে ব্যক্তির কোয়ালিটি হিসেবে বিবেচনা করতে পারি। সবাই সব ক্ষেত্রে নিজেকে কোয়ালিটেটিভ বা অধিক যোগ্য মনে করে থাকে।সুতরাং আমার নিজেরটাও যে তার থেকে ব্যর্তয় হবে না, এটাই সঙ্গত। তবুও আমি আমার অনুপুঙ্খ মূল্যায়নে আমার নিজের যা কিছু আছে সেটা বর্ননা করতে চেষ্টা করবো। সেই ছোটবেলা থেকে বহুধা বিষয়ে জানার পড়ার এবং শেখার আগ্রহ আমার এখনো আছে। আমি এখনো অনেক বই পড়ে অনেক কিছু মুখস্ত করার চেষ্টা করি।ফলে অভিজ্ঞতার ভাণ্ডারে কিছু সঞ্চয় তো রয়েছেই। আমার অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও দক্ষতার সংক্ষিপ্ত রূপায়ন হলো:
  • চাকুরির বিভিন্ন কর্মস্থল ও পঠিত বিদ্যা হতে আমার অর্জিত যোগ্যতা:
  • উদ্বুদ্ধকরনের অভিজ্ঞতা:
  • শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা:
  • প্রশিক্ষক ও রিসোর্চ স্পীকারের অভিজ্ঞতা:
  • প্রতিবেদন লেখার দক্ষতা:
  • তথ্য প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা:
  • দ্রুত বহুমাত্রিক কাজের অভিজ্ঞতা:
  • =================================================
  • উপরের  উল্লেখিত আমার নিজের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও দক্ষতার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেয়া হলো:
  • চাকুরি ও পঠিত বিদ্যা হতে আমার অর্জিত যোগ্যতা:
  • কৃষিতে পড়ালেখা করা এবং কৃষি সেক্টরে চাকুরি করার কারণে এ বিষয়ে তাত্বিক ও ব্যাবহারিক কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে দীর্ঘ ২৮ বছরের। এই ২৮ বছরের আমি যেসব কর্মস্থলে কাজ করেছি সেটা বললে আমার অভিজ্ঞতা বোঝা কিছুটা সহজ হবে।
  • প্রথম কর্মস্থল: বাগেরহাটের মোল্লাহাট: ১৯৮৬ সালের বিসিএস পরিক্ষায় অংশ করত: চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়ে ২০.১২.১৯৮৯ তারিখে বিষয়বস্তু অফিসার হিসেবে সরকারি চাকুরিতে যোগদান করি বাগেরহাট জেলার মোল্লাহাট উপজেলার কৃষি অফিসে।আমার প্রথম কর্মস্থল বিধায় এটা আমার স্মৃতিময় একটা কর্মস্থলও বটে।এখান থেকেই মূলত: আমার চাকুরির অভিজ্ঞতা অর্জন শুরু হয়।এখানে কর্মরত ছিলাম ০৫.০৭.১৯৯৭ তারিখ পর্যন্ত।
  • দ্বিতীয় কর্মস্থল: খামারবাড়ি, ঢাকা: ০৬.০৭.১৯৯৭ খ্রি. তারিখ থেকে ০৩.০৭.২০০১ খ্রি. পর্যন্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ,খামারবাড়ি ,ঢাকাতে, বিষয়বস্তু অফিসার(Subject Matter Officer) হিসেবে Leave Reserve(LR) পদে কর্মরত ছিলাম।কার্যত এ সময় পড়ালেখা ছাড়া কোন কাজ করতে হয়নি; শুধু শুধু ঢাকা অফিস থেকে সরকারি নির্দেশনানুসারে বেতন ভাতা নিয়েছি মাত্র। পি-এইচ.ডি সম্পন্ন করার পরেও অনেকদিন আমাকে পোস্টিং দেয়া হয়নি অজ্ঞাত কারণে ।ফলে এখান থেকে কোন অভিজ্ঞতা হয়নি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ ব্যতিরেকে।
  • তৃতীয় কর্মস্থল: দৌলতপুর, কুষ্টিয়া: চাকুরিতে জীবনের প্রথম পদোন্নতি সাপেক্ষে  অতিরিক্ত কৃষি অফিসার হিসেবে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় কর্মরত ছিলাম ০৪.০৭.২০০১ খ্রি. তারিখ  থেকে ২৩.০৯.২০০২ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত।এখানে এক মহাসংকটের মধ্যে চাকুরি করত হয়েছিল। সেটা অনলাইন জগতে অবমুক্ত না করাই শ্রেয়, সে এক বিরল তিক্ত অভিজ্ঞতা!
  • চতুর্থ কর্মস্থল: খয়েরতলা, যশোর: ২৬.০৯.২০০৩ থেকে ০৪.০১.২০০৯ পর্যন্ত যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে হর্টিকালচারিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলাম।এখান থেকে বেশ কিছু বাস্তব জ্ঞানার্জন হয়েছিল।
  • পঞ্চম কর্মস্থল,স্থলবন্দর, দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা:০৪.০১.২০০৯ থেকে ২৯.১০.২০১৩ পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে সংগনিরোধ কীটতত্ত্ববিদ হিসেবে কর্মরত ছিলাম।এখান থেকে অর্জিত জ্ঞানের ধরনও ভিন্ন আঙ্গিকের।
  • ষষ্ঠ কর্মস্থল: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মেহেরপুর: ২৯.১০.২০১৩ থেকে ২৯.১৯.২০১৪ পর্যন্ত অতিরিক্ত উপপরিচালক হিসেবে মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেছি।
  • সপ্তম কর্মস্থল: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী, মেহেরপুর: পদোন্নতি সাপেক্ষে জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার হিসেবে মেহেরপুরে কর্মরত আছি বিগত ২৯.১০.২০১৪ তারিখ থেকে ১৬.০১.২০১৮ পর্যন্ত।
  • অষ্টম কর্মস্থল: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মেহেরপুর: পদায়ন সাপেক্ষে উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মেহেরপুরে কর্মরত আছি বিগত ১৭.০১.২০১৮ তারিখ থেকে অদ্যাবধি।
  •  পঠিত বিদ্যা আর বাস্তবের প্রায়োগিক অভিজ্ঞতার সাথে পার্থক্য বিস্তর, ফলে পঠিত বিদ্যার সাথে যখন প্রায়োগিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় সাধন করা যায় তখন সেক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ে বৈ কি! আমি সেটার সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করেছি। সকল ধরনের মাঠ ফসল, অর্থকরি ফসল এবং উদ্যান ফসলের উপরে কাজ করার অভিজ্ঞতা তো রয়েছেই।প্রথম কর্মস্থল বাগেরহাটের মোল্লাহাট থেকে চাকুরির মৌলিক দিক শিখেছি। আমার যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে কর্মকালীন সময়ে ফুল ফল শাক সবজি ও মাশরুম চাষের উপরে তাত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান আহরণের সুযোগ হয়।হর্টিকালচার সেন্টারের জ্ঞান একেবারেই ব্যবহারিক ছিল।হর্টিকালচার সেন্টারে ৬ বছর ৩ মাস ৩দিন কাজ করার সুবাদে উদ্যান ফসলের উপরে ব্যবহারিক জ্ঞান রয়েছে। ফুল ফল ও আমের উপরেও বেশ কাজ করেছি।
  • কীটতত্বের উপরে এমনিতেই আমার উচ্চশিক্ষা সনদ রয়েছে, সেটা আরেকটু ঝালাই করার সুযোগ পেয়েছি মাঝে মধ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐ বিষয়টির কিছু ক্লাস নেয়ার সুবাদে।তার উপরে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রে অনেকদিন চাকুরি করার কারণে উদ্ভিদ সংগনিরোধের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিবিধান সন্মন্ধে ভাল একটা প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা গ্রহণ করতে পেরেছিলাম।
  • বীজ, কৃষির একটা মূল্যবান সেক্টর, সেখানে বর্তমানে কাজ করার কারণে এই বিষয়ের উপরেও বিশেষ জ্ঞানার্জন করেছি।বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীতে কর্মরত থাকার কারণে বীজ প্রযুক্তি এবং বীজ প্রত্যয়নের খুঁটিনাটি ভাল একটা দক্ষতা তৈরি করতে পেরেছি।
  • উদ্বুদ্ধকরনের অভিজ্ঞতা:
  • চাকুরির ধরণ অনুসারে গোটা চাকুরি জীবন কেটেছে উদ্বুদ্ধকরণের কাজ করে, তাই এ কাজটি আমি বেশ ভাল পারি। যেকোন পরিস্থিতিতে মানুষজনকে উদ্বুদ্ধকরনের মাধ্যমে ম্যানেজ করে আমার কর্ম সম্পাদন করতে খুব অসুবিধে বোধ হয়না। এ কাজে সবচে জরুরী হলো মানুষের সাথে তার মত করেই মিশতে চেষ্টা করা। কারুর সাথে মিশতে হলে সে যেন আপনাকে বন্ধু মনে করতে পারে, তাহলে আপনার মোটিভেশন সহজতর হবে।আমি এই বিষয়টি মেনে চলতে চেষ্টা করি। ফলে ৮০ বছরের বৃদ্ধের সাথে আমার যেমন বন্ধুত্ত্ব আছে, তেমনি কথা শিখেছে এমন বাচ্চারাও আমাকে তার নিজের মত বয়সী মনে করে।
  • শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা:
  • ২০০৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১৬ অব্দি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনে কীটতত্ত্ব বিষয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা আছে; ফার্স্ট ইয়ার থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত ক্লাস নিয়েছি;আবার ফরেস্টি এণ্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনে ফরেস্ট্র এন্টোমোলজির ৩টি কোর্স পড়িয়েছি।  উল্লেখ্য সরকারি ছুটির দিনেই বস্তুতঃ এসব ক্লাস নিয়েছি, তবে এসব খুব নিয়মিত ছিল না! খুবই অনিয়মিত এবং সাময়িক। তবুও আমার ঝুলিতে কিছু অভিজ্ঞতার সঞ্চার হয়েছিল।  আমার পড়ানোর টেকনিকে বেশ সফলতা পেয়েছি বলে বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের অভিমতে সেটা জানা যায়।এ সময়ে আমার সবচে অভিজ্ঞতা হয়েছে ইংরেজি চর্চার, বিশেষ করে ইংরেজি লেখার ও বলার সাবলীলতা আমি এখান থেকেই অর্জন করেছি। আমার অনেক ছাত্র ছাত্রী বিসিএস পাশ করে পরে আমার কলিগ হয়েছে।প্রশাসন, পুলিশ ক্যাডার সহ বিভিন্ন ক্যাডারে ও নন ক্যাডরে সেসব ছাত্র ছাত্রীরা ভাল ভাল পদে কর্মরত আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আছে আমার বেশ কিছু বেশ কিছু ছাত্র ছাত্রী। অনেক ছাত্র ছাত্রী বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করছে আর কেউ বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। অল্প সময়ের জন্যে হলেও এখান থেকে আমার প্রাপ্তি অনেক।
  • এর আগে ২০০১ সালের শেষ ভাগ থেকে ২০০২ সালের শেষ অব্দি দৌলতপুর এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে প্রেষণে শিক্ষকতা করেছি প্রায় বছর খানেকের মত। সেখানেও আমার অনেক প্রিয় ছাত্র ছাত্রী ছিল যাদের অনেকেই পরে উপ সহকারি কৃষি অফিসার হিসেবে আমাদের ডিপার্টমেন্টে যোগদান করেছে।
  •  বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে একবার ১৯৮৫ সালে ৪ মাস ২৬ দিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলে সে সময়ে গ্রামের স্কুলে অপেশাদার শিক্ষক হিসেবে প্রধান শিক্ষকের অনুরোধে । প্রধান শিক্ষক আসাদুর রহমান মন্টু সম্পর্কে দুলাভাই। সে সময় বেশ কয়েকজন টিচার বিএড পড়তে গেলে টিচার সঙ্কটের কারণে ঐ অপেশাদার শিক্ষকের অভিজ্ঞতা অর্জন করি।
  •   বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে গৃহশিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ছেলেমেয়ে পড়ানোর অভিজ্ঞতা আছে , সাড়ে চার বছরের। সে সময়  ক্যাম্পাসে “আখতার স্যার” হিসেবে আমার বিশেষ খ্যাতি ছিল।
  •   ফলে শিক্ষকতার একটা ভাল অভিজ্ঞতা আছে। সবচে বড় কথা আমার ছাত্র ছাত্রীরা আমাকে অনেক বেশি ভালবাসে এবং শ্রদ্ধা করে। ছাত্র তেমন ভাল না হলেও শিক্ষক হিসেবে আমি যে, সফল সেটা বলতে পারি।
  • প্রশিক্ষক ও রিসোর্চ স্পীকারের অভিজ্ঞতা:
  • যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে কর্মরত থাকা অবস্থায় শত শত প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হয়েছে।  এছাড়া পরবর্তীকালে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অসংখ্য সফল হাইটেক প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি।
  • কৃষি বিষয় ছাড়াও মাদকাসক্ততা, ধুমপান নিরোধক, পল্লী উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে সেমিনার সিম্পোজিয়ামে রিসোর্স স্পীকার হিসেবে বক্তৃতা করার অসংখ্য নজির আছে।
  • কান্ট্রি রিপোর্ট উপস্থাপন করে চায়নাতে উচ্চসিত প্রশংসা পেয়েছিলাম। দর্শক সমাগম বেশি হলে আমি বক্তৃতা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
  • আমার লেকচার শুনে যেন কেউ বিরক্তি প্রকাশ না করে, এ ব্যাপারে বরাবরই আমি সচেষ্ট থাকি এবং এ ব্যাপারে সফলও বলতে পারি।
  • আমার একটা এমন আত্মবিশ্বাস  তৈরি হয়েছে যে, আমার লেকচার শোনার জন্যে আমি দর্শকদেরকে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও ধরে রাখতে পারবো।
  • পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশনের কলাকৌশল, সেটার সেটিংস্‌ এবং উপস্থাপনা শৈলীতে দর্শকের মধ্যে যেন অধিকতর আগ্রহ সৃষ্টি হয় সে ব্যাপারে আমি খুব কেয়ারফুল থেকে আমার উপস্থাপনাকে সাজাতে চেষ্টা করি।
  • প্রতিবেদন লেখার দক্ষতা:
  • কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, সাহিত্য, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান সহ যেকোন বিষয়ের উপরে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে যেকোন ধরনের প্রতিবেদন বাংলা বা ইংরেজীতে হৃদয়গ্রাহী করে লিখতে পারি।বস্তুত: তথ্য পাওয়া এখন কোন সমস্যা না, তথ্য মহাসড়কে প্রচুর তথ্য আছে কি বাংলা বা ইংরেজিতে। আমি যেকোন তথ্য যেকোন ভাবে উপস্থাপন করার ব্যাপারে খুবই আত্ম বিশ্বাসী। বাংলা তথ্য পেলে দ্রুত সেটা ইংরেজি করে দিতে পারি আবার ইংরেজি তথ্য পেলে দ্রুত সেটা বাংলা করে ফেলতে পারি। আমি কোনকালেই কোন লেখক ছিলাম না; কিন্তু ফেসবুকে টুকটাক লিখতে যেয়ে মনে হলো আমার লেখার মান খুব খারাপ না। তাই কোন কিছু লেখার ব্যাপারে আমি এখন বেশ আত্মপ্রত্যয়ী।
  • তথ্য প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা:
  • যদিও এটা আমার পঠিত বিষয়ের মধ্যে পড়ে না, তবুও পি-এইচ.ডি করার কারণে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির সাথে আমার অভিষেক ঘটে, সেই থেকে এ বিষয়ে আমি বেশ কিছু দক্ষতা অর্জন করেছি। মাইক্রসফট্ অফিস, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ইলাসট্রেটর, নেটওয়ার্কিং, ফটোশপ, ভিডিও এডিটিং প্রভৃতি বিষয়ে একটা দক্ষতা অর্জন করেছি।বাংলা ইংরেজি টাইপ করতে পারি সাবলীলভাবে। কার্যত: কম্পিউটারের যেকোন প্রোগ্রাম শিখতে আমি আর এখন হতাশ নই। যখন যে প্রোগ্রাম দরকার সেটা দ্রুতই রপ্ত করতে পারবো এ বিশ্বাস আমার আছে।
  • দ্রুত বহুমাত্রিক কাজের অভিজ্ঞতা:
  • আমি একসাথে অনেক ধরনের কাজের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে বহুমাত্রিক কাজ এখন অব্দি দক্ষতার সাথে করে যাচ্ছি। কখনো ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি মাল্টি ডাইমেনশনাল কাজ করে থাকি।কম্পিটারে একাধিক সফট্ওয়্যারের ব্যবহার, নিজের কাজ,  অফিসের কাজ, বউয়ের অফিসের কাজ, এনজিও’ র বহুমুখী কাজ, উন্নয়ন সহযোগিদের বহুধা কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পড়ানোর কাজ, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, মাদকতা, ধুমপান, শিল্প সাহিত্য, নিয়ে বক্তৃতা তৈরিকরণ, এনজিওদের প্রকল্প প্রনয়ন, আউট সোর্সিং প্রভৃতি কাজে প্রায়ই আমার মস্তিষ্কের বহুমাত্রিক ব্যবহার হয়ে থাকে। আলহামদুল্লিাহ আমি এখনো বেশ স্ট্রেস নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ খুব দ্রুত এবং কম সময়ের মধ্যে করতে পারি, যা অনেকের পক্ষে কল্পনা করাও দুরহ। আমার বিশ্বাস আমাকে দেশে বিদেশের যেকোন সেক্টরের কাছে নিয়োগ করে আমাকে কর্ম পরিবেশ দিলে আমি সেখানে ভাল করতে পারবো, ইন শা আল্লাহ্।