আপনাদের লেখা

  • এই কলামটি আমার শুভাকাঙ্খীদের জন্যে উন্মুক্ত রাখা হলো। তাঁরা ইচ্ছে করলে অনেক কিছু এখানে লিখে রাখেতে পারেন। আপনার এই কলামে কিছু লিখতে চাইলে প্লিজ আমাকে ইমেইল (akhtar62bd@gmail.com) করুন:
  • ==============================================
  • কৃষিবিদ কে শর্মার কলাম: অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, কৃষিবিদ অশোক কুমার শর্মা,  বিসিএস কৃষি ক্যাডারের সদস্য হিসেবে, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসারের পদ থেকে ২০১৭ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন। অত্যন্ত প্রজ্ঞা ও মেধা সম্পন্ন এই মানুষটির কাছ থেকে জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। আমার প্রথম জীবনের চাকুরির হাতে খড়ি তাঁর হাতেই। একই কর্মস্থলে,একই কক্ষে  একত্রে প্রায় চার বছর চাকুরি করেছি। আর চাকুরির প্রথম জীবনের চাকুরির নিয়তনীতি সহ অনেক কিছু  শিখেছি তাঁর কাছ থেকে।আমার বিয়ের পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তাঁর সিদ্ধান্ত ছিল একেবারেই যথার্থ। প্রজ্ঞাবান ও শ্রদ্ধাবান প্রগতিশীল ঘরানোর এই সৃষ্টিশীল মানুষটির রয়েছে বহুবিধ মানবিক গুণাবলী। তাঁর লেখনীও বেশ ধারালো ও যুক্তিপূর্ণ ও অর্থবহ। তিনি আমার এই ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে মাঝে মধ্যে বহুধা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন।তাই তাঁর নিজের লেখাগুলো এখানে তুলে ধরলাম:
  •  জরুরি প্রতিবাদ !
  • গতকাল ৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবারের দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত (শেষ পৃষ্ঠায়) “ইফপ্রির গবেষণার তথ্য , কৃষিতে প্রবৃদ্ধির গতি কমছে” শীর্ষক প্রতিবেদন দেখে অস্বস্তি বোধ করেছিলাম। এ বিষয়ে আজ ফেসবুকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সম্প্রতি স্বাবেক হওয়া মহাপরিচালক শ্রদ্ধেয় জনাব মঞ্জুরুল হান্নান স্যারের প্রতিবাদি স্ট্যাটাসটি দেখে যে মন্ত্যব্য করেছিলাম প্রায় সেটিই এখানে উপস্থাপন করছি।  ইফপ্রির গবেষণার তথ্য মোতাবেক “১২ শতাংশ কৃষক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সেবা পেয়ে থাকে” বাক্যটি শিরোনামের ঠিক নীচেই উপ শিরোনামের মত ছাপানো রয়েছে । কৃষি ক্যাডারের যে ই সেটা দেখেছে সেই অস্বস্তি বোধ করেছে। এরকম ভাবে একটি তথ্য প্রকট করলে এমনটাই হওয়ার কথা।
    কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রকৃত পক্ষে মৌসুম ভিত্তিক হয়ে থাকে। বছরের নির্দিষ্ট কৃষি মৌসুমে দেশের সকল এলাকায় সকল কৃষক সম্প্রসারণ সেবার আওতায় আসেনা , সেটা হওয়া সম্ভবও নয়। তাছাড়া অনেক কৃষক প্রধান সম্প্রসারণ সেবা ” পরামর্শ বা প্রশিক্ষণ সেবা” কে সেবা হিসাবে নাও প্রকাশ করতে পারে। তারা কৃষি উৎপাদন উপকরন বা আর্থিক সহায়তাকেই কেবল সহায়তা হিসাবে প্রকাশ করে থাকতে পারে।
    এভাবে কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রাপ্ত কৃষকের হার কখনো যথাযথ হতে পারে না। এটা হতে হবে সার্বিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে কৃষকদের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভুমিকা মূল্যায়নের মাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে আমার নিজস্ব বক্তব্য নিম্নরূপ;
  • বাংলাদেশের ১০০% কৃষকই কোন না কোন ভাবে সরকারী কৃষি সম্প্রসারণ সেবার আওতাধীন । ইচ্ছে করলেও কারো পক্ষে এর বাইরে থাকা সম্ভব নয়। নতুন প্রযুক্তি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে Adoption process ও Adoptor categories প্রযোজ্য হলেও কৃষি বিভাগ বেশ কয়েক বৎসর ধরে প্রকল্প ভিত্তিক উৎপাদন , প্রদর্শনী , প্রশিক্ষণ , মাঠদিবস , মাঠ স্কুল , শিক্ষা ভ্রমণ প্রভৃতি কার্যকর প্রত্যক্ষ কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রায় সকল কৃষকের কাছেই পৌঁছে যায়। জরুরী প্রনোদনা বা পুনর্বাসন কর্মসূচির মাধ্যমেও অনেক কৃষক সম্প্রসারণ সেবার আওতায় চলে আসেন। দেশের সম্পূর্ন কৃষি উপকরণ (বীজ , চারা , সার , বালাইনাশক প্রভৃতি ) বিপনন ব্যাবস্থার প্রায় পুরোটাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। আর কৃষকগণ এক্ষেত্রে ভোক্তা। তাহলে দেশের কোন কৃষকের পক্ষে সরকারী কৃষি সেবার আওতার বাইরে থাকা কি করে সম্ভব? এর পরও জেলা এবং উপজেলার কৃষি কমিটির নিয়ন্ত্রনের বাইরে কারো পক্ষেই আইনত: কৃষি কর্মকান্ড পরিচালনা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে কৃষি বিভাগ কৃষকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তাই বলা যায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোন কৃষকের পক্ষেই সরকারী কৃষি সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।কারো কোন গবেষণায়ই মাত্র ১২% কৃষক সরকারী কৃষি সেবা পায় এমন finding আসা অসম্ভব!
    একই সাথে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যথাযথ formal প্রতিবাদ ও ব্যবস্থা গ্রহন আশা করি। 
  • ()অণ্বেষা শর্মা পূজার উপস্থাপনায় দুর্গাপূজার ভিডিও ডকুমেন্টারী:  অণ্বেষা শর্মা পূজা আমার খুব স্নেহভাজন; আমার কন্যাসমও বটে! ওর বাবা অশোক কুমার শর্মা আমার অগ্রজ সহকর্মী এবং অতীব শ্রদ্ভাভাজন আপাদমস্তক প্রগতিশীল ঘরানার একজন নিরেট ভাল মানুষ। তাই  ইউটিউবে আপলোড করে পূজার এই ভিডিও ডকুমেন্টারীটি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটে লিঙ্ক করে রাখলাম। ভাল থেক মা, এগিয়ে যাও তোমার প্রতিভার দীপ্তি নিয়ে।ভিডিও দেখতে নিচের লিঙ্ক দু’টিতে যান:
  • https://youtu.be/gVuCafLQ7-0